Home Taqi

Taqi

প্রস্তর খণ্ড

আমি প্রস্তর হয়ে মরলাম উদ্ভদি হতে
উদ্ভদি হয়ে মর,ি তো উত্থতি প্রাণে
মানুষ হয়ে উঠলাম পর,ে যখন সত্য উদ্ভাসতি হলো
ভয় কসিরে? দ্বধিা কনে মৃত্যুত?ে

লুকোচুরি

লুকোচুরি খলেব বলে
চলে এলাম তোমার আগে
সংগ্রাম চলছে শাহবাগ-ে

শ্লোগান

হৃদয়ে আজ নব বসন্তরে গান
পাখরি ডাকরে সাথে ধ্বনতি হচ্ছে
শাহবাগরে শ্লোগান-

স্বদশে

ফুলরে মতো দৃশ্যমান
রক্তমাখা রাজীবরে চোখ
সবুজ পাতার সাথে
দৃশ্য জুড়ায় লাল-সবুজরে পতাকা।
যনে বলে ওঠে
এই তো স্বদশে
লাল-সবুজরে বাস যখোনে
প্রকৃতি ও সংগ্রাম।ে

মানুষ চাই সমানে সমান

সমগ্র মানবজাতি আজ এক কাতারে দাঁড়াব,ে
হংিসা বদ্বিষেরে র্ঊধ্বে উঠ,ে
জলাঞ্জলি দয়িে হসিাব কষা,
ছড়য়িে দবেে ভালোবাসার গান-
বলবে মানুষ চাই সমানে সমান।

সাম্য

ঘরে ঘরে জ্বলে উঠবে
জ্ঞানপ্রীতরি আলো,
থাকবে না হংিসা বদ্বিষে-
মানুষে সাম্য হবে
সকলইে এক হবে
সকলরে জ্ঞান হবে
আকাশ চূড়ায়।

প্রতযিোগতিা

মানবো না এই
প্রতযিোগতিা
বষিম খলো
অসুস্থতা,
স্কুলে কবেল
র্ফাস্ট হওয়া
নয় শষেকথা।

বর্বিতন

মাটরি সাথে বাস করা এক পঁিপড়ে
হঠাৎ একদনি উঠে দাঁড়ালো
ইচ্ছে তার মানুষ হব-ে

স্বপ্ন

আমাদরে স্বপ্ন
মানুষ হওয়া-
দু’বলো খাওয়াই তো
সব নয়।
আছে মানুষ হয়ে
চলার স্বাদ,
সমান অধকিার
জ্ঞানে পথচলার।

ভয়

বনরে ভতেরইে
থাকে দনিকাল,
বাহরিতেে যায়নি সে
দখেনেি সকাল।
বনরে ভতেরে যতো
পশু আর পাখি
আহার সকলই তার
কছিু নইে বাক।ি
সারা রাত জাগ,ে তবু
ভয়ে ভয়ে মর,ে
কখন না জানি হায়
বাঘ এসে ধর।ে

শহুরে পাখি

শহর হতে যে আসে
অচনি এক পাখ,ি
বলে আমি শহররে
খবর তো রাখ।ি
শহররে গুণগান
গায় যে সে পাখ,ি
বলে আমি আসলে তো
শহরইে থাক-ি
শহররে মানুষরে
আচার তো বশে
হথো তুমি যাও যদি
থাকবে না ক্লশে।
অবশষেে বলে পাখি
গ্রাম ভালো নয়,
এখানে তো পরবিশে
সুবধিরে নয়।
তখন থকেে যে হায়
বনমালী চায়,
চলে যাবে শহরইে
থাকবে না গাঁয়।

একঝাঁক কুকুর

একটা কুকুর
র্গজন করে ওঠে
একঝাঁক কুকুর
দৌড়ে এলো কাছে
দখেলো একটা শকিার
ঝাঁপয়িে পড়লো
তার কাঁধে
শষে করে দলিো
…প্রাণ।

একজন শহীদরে ময়নাতদন্ত

ওরা প্রাণী হত্যা করে
যা মানুষ কর।ে
ওরা ছুরি ও
ধারালো অস্ত্র দয়িে
দ্বখিণ্ডতি করে কণ্ঠনাল,ি
ওরা উল্লাসে দখেে
কভিাবে শরীর থকেে
বৃষ্টরি মতো রক্ত গড়ায়-
ধারালো অস্ত্র দয়িে
শরীররে চামড়া ছলিে নয়ে,
এবং দখেে ভতেররে মাংসপশেী ও হাড়গোড়
ওরা টুকরো টুকরো করে হাড়গোড়,
খণ্ড-বখিণ্ড করে ফলেে
বীভৎস উল্লাস।ে
এই সব হাড়গোড় শরীরে জড়য়িে
জানান দয়ে নজিদেরে সাহসকিতা,
স্মারক চহ্নি করে
ঝুলয়িে নয়ে গলায়-
ওরা সইেসব মৃত মানুষরে মাংস খায়
র্ববর অন্ধকার যুগে যমেন মানুষখকেোরা
ভক্ষণ করছেে তাদরে স্বজাতকি-ে
ওরা
অন্ধকাররে পশু
হত্যা করে জীবন
হত্যা করে সমাজ
ওরা হত্যা করে
কারণ মৃতরে রক্তমাখা হাড়গোড়
ওদরে ভূষণ।
ওরা রাইফলেরে গুলি ছুঁড়ে
হত্যা করে স্পন্দতি জীবন
যাতে
স্পন্দনরে শব্দ প্রতবিাদ হয়ে উঠতে না পার।ে
ওরা রাইফলেরে ট্রগিার টপিে
প্রতবিাদরে চৎিকারকে স্তব্ধ করে দতি,ে
হাড়গোড় শরীরে জড়ায়;
ওরা হাড়গুলোয় সজোরে
আঘাতরে পর আঘাত করে চলে
যাতে ওই হাড়গুলো দহেধারণ করে
জগেে উঠতে না পার-ে
এইসব রূপান্তরতি হাড়গোড় ওদরে ভূষণ,
ওরা স্তব্ধ করে দতিে চায় জীবনরে স্পন্দন,
পরধিানে
দহেরে অস্থি ব্যবহার কর,ে
ধারালো অস্ত্র দয়িে
হত্যা করে জাতরি শ্রষ্ঠেসন্তান,
ওরা মানুষরে রক্ত ভালোবাসে
এবং মানুষরে হৃদয়কে বষিয়িে তোলে
বকিৃত করে
সমাজ আর নষ্কিলুষ মানুষকে
ওরা ভয় দখোতে চায় আদমি হংিস্রতায়!

ফরিে এসো বাংলাদশে

তাঁরা বঁেচে আছে
স্বাধীনতার ৪১ বছর পরওে
একটি নতুন যুগ,
একটি নতুন সময়,
যখোনে ঘৃণা অপমান নইে
সইেসব জীবন
যখোনে উন্মত্ত হবে না কউে কাউকে
হত্যার জঘিাংসায়,
অমঙ্গল-অকল্যাণ ঠাঁই নবেে না কারো চন্তিায়
সমতার সমাজ হব,ে
সবারই আর্দশ হবে বাংলাদশেরে সইেসব সন্তান
যাঁরা যুদ্ধরে ডাক দয়িছেলি,
যাঁরা অপক্ষোয় আছে আজো একটি বচিাররে-
একটি বচিার
যা শষে করার জন্য
তাঁরা
যুদ্ধরে সইে সব নায়করা
ডাক দয়িে যায়-
জাতরি জন্য, জগেে ওঠার জন্য
ওই জাতরি জন্য; যারা ধ্বংসরে মধ্যওে
নতুন জীবনরে ডাক দয়িে যায়;
তুমি কি শুনতে পাও
সইেসব শহীদদরে কণ্ঠস্বর
যা প্রতধ্বিনি হচ্ছে বহুদনি ধর?ে
সময় খুব কম
সামনে এগয়িে যাওয়ার
এটাই যর্থাথ সময়-
অবশ্যই বাংলাদশে জগেে উঠবে
সামনরে উজ্জ্বল দনি
মঘেমুক্ত আকাশ
আমার রূপসী বাংলাদশে
এই সময়ে তুমি কোথায়?
কোথায় আর সব
যাঁরা ধাবমান
যাঁরা পছেনওে নতেৃত্বে থাকে
যাঁরা ভয়রে মধ্যে জন্মগ্রহণ করে
তাঁরা অপক্ষোয় আছ,ে
তুমি ফরিে এসো,
ফরিে এসো সখোন থকেে
ফরিে এসো
আমার বাংলাদশে।

কারা সইে রাজহাঁস

ওরা সমাজকে হত্যা করে
পশেশিক্তি দয়ি,ে
টুকরো টুকরো করে
ধারালো অস্ত্র ও ছুরি দয়ি-ে
ওরা চায় রক্ত
ওদরে র্শাট-েকাপড়ে মখেে
মানুষকে দখোবে বল-ে
ওরা রক্ত দয়িে রাঙয়িে নয়ে জামা,
রক্তাক্ত, কলঙ্কতি, কাদামাখা;
অথচ কাদা নয়
এ এক মসৃণ যন্ত্রণা;
কণ্ঠনালী থকেে
এ যন্ত্রণা গড়য়িে পড়ে রক্তরে মতো
বীভৎসতার শুরু এখান থকে-ে
একটি মসৃণ চাপাতি
হত্যার জন্য
একটি দা-রামদা
ধারালো, চকচকে
এবং
ক্যামরোয় ছবি উঠতে থাকে
রক্ত ঝরার দৃশ্যরে-
ওরা চর্তুদকিে
একজন নচিে
অন্যরা তাকে ঘরিে
ঘুরতে থাকে চক্রাকার,ে
যন্ত্রণার রক্ত ঝরে ঝরে পড়ে
ওদরে ওপর-ে
কারা সইে রাজহাঁস?
ওরা কারা!

ছাড়পত্র

অপক্ষো একটি ছ’এর জন্য,
অপক্ষো একটি র্দীঘ সময়রে-
নষ্পিলক তাকয়িে থাকা।
একটি বলরে টক্ িশব্দ,
যদওি বোলার দ্যাখে
সবাই তার ছবি নচ্ছি-ে
ভারি ব্যাট দয়িে
বলটতিে হালকা আঘাত করে
ব্যাটসম্যান;
প্রভুর চোখ পড়ে তখনই
শষে মুর্হূতে ধরা পড়ে কশিোর,
আর তখনি বলটি পয়েে যায়
মাঠরে বাইরে যাবার ছাড়পত্র।
শ্রণেি

একজন অধঃপততি,
অন্যরা উচ্চতায়;
সকলইে অধঃপততি,
শুধু একজনই উচ্চতায়!

মৃত্যুর ভালোবাসা

সকলইে চলে যাবে
মৃত্যুকে ভালোবসে-ে
সযত্নে আগলে রাখে হৃদয়ে
জীবন অথবা মৃত্যু-
তারা অস্ত্র নয়িছেলি
মৃত্যুকে ভালোবসে-ে
খুন হলো একজন,
জীবন অথবা মৃত্যু
সযত্নে আগলে রাখে হৃদয়-ে
হাতে রড তুলে নয়ে
হত্যাকে আয়ত্তে আনত;ে
তাদরে সংকল্প ছলি
বশ্বিাসরে নতৈকিতায়।

চত্রৈমাস

একজন বৃদ্ধ
খুবই নঃিসঙ্গ,
অতীতরে রোমন্থন
চলমান পথে
চত্রৈ মাস-ে
ইতস্তত ঘোরাফরো,
শুধুমাত্র শষেরে অপক্ষো,
শুধুই একাকীত্ব,
যদওি একা নয়
যা সে আশা করছেলি
তা হবে
চত্রৈ মাস।ে

বাতঘির

র্দীঘ একটি বছররে শষে,
নতুন বছর শুরু-
অভ্যন্তরীণ সৌজন্য, কৌশল
নরিুত্তাপ স্বাধীনতা;
তারকামণ্ডতি।
এসো আমরা একসাথে চলি
প্রশান্ততি,ে
ক্ষপ্রিতায় নয়, অথচ বাঁয়,ে
কালরে গৌরবরে
সইে সব তরুণদরে বাতঘির হয়।ে

স্বপ্ন – ১

আমি প্রকৌশলী হতে চাই,
যা আমার শল্পিী মায়রে
র্কমরে শকেড়ে শক্তি যোগাব।ে
ডাক্তার হতে চাই,
যাতে আমার বাবা মৃত্যুর যন্ত্রণায়
কষ্ট না পান।
আমি মৃত্যুর প্রতমর্িূতি হতে চাই,
অসহনীয় জীবনবোধরে জন্য-ে
রাত্রি ও দনিরে পড়াশোনা,
অপক্ষো পরীক্ষার জন্যে
সত্যইি অসহনীয়!

স্বপ্ন – ২

আমার স্বপ্ন উদ্ভাবনী শল্পিী হওয়া,
বাবা-মায়রে ইচ্ছাও তাই-
স্বপ্ন একজন ডাক্তার হওয়া,
তাঁরা বললনে, এটা চমৎকার-
আমার স্বপ্ন উদ্ভাবনী শল্পিী হওয়া,
তাঁরা বললনে, এটা বস্মিয়কর!

প্রতবিাদ

এখনি সময় প্রতবিাদরে-
আমি জামায়াতকে নষিদ্ধি চাই।
আমার প্রতবিাদ
আর্শীবাদ হোক সকলরে-
আমি সকল শহীদরে পক্ষ থকেে
কাদরে মোল্লার
বচিাররে রায় দতিে চাই…

  • ত্বকীর এ কবতিাগুলো সম্ভবত মৃত্যুর দু-এক মাস আগে লখো।

Postmortem of a martyr

They kill animals

like  humans would do

They use blades

and  machetes

to cut open the throat.

to see blood rain over them

they enjoy.

They use machetes

to peel off the skin

As smoothly as a seov layer

and see

the muscle / bone inside

They

chop the bone

to pieces

and make

chopping fun

They wear the bones

as bravery sits

on the collars

They eat the flesh

as bravery eaters

their bones.

They 

the black ones

kill bones

of  society as well

They kill

bones to make them wear

the bones tear  apart

flesh tear apart

wearing bones

They click on rifles

to kill the bones

So that

the flesh can’t talk

The click

bones to the home

and make them wear

they click bones

to make them wear

To make them sick 

They wear.

They use bones

as machetes to

kill humans

They like blood

And dirt of the human mind

They use dirt to write up

Innocents of society

And make them fear the worst.

Comeback Bangladesh

They remains

after 41 years

of liberation war

to see the dawn of

a new era

A one

where no one like him

lives

No one  manages

to kill anyone

No one thinks

of  this

The people live in harmony

And kill the Bangladeshi  sons

who called it in war

They wait for justice

For a trial to end

They are

the war heroes

The Call

for a nation to stand up

from a nation that in ruins

a wake up call

Do you hear it?

The voice of the martyrs

Saying its long been

A transitory phase

And its time to go ahead in time

Must have been time that Bangladesh learns walk on its day

He sees bright future ahead

but through a dense fog which clears

Bangladesh our beauty

Where or you

In time

Where others

Are way forward

Leading the time backwards

They born in horror

To see you come back where will you come

My Bangladesh

Who are Swans

They use muscles

to kill a society,

and use dagger

to chop it up.

They use blood 

to stain their shirts

and wear it in place

where men fear

They use it

to wear T-shirts

stained  in blood

mud, not mud

A smooth groove

on the throat

and the mud  slide

starts

A flat knife

used to kill

a daa- ramdaa

also seen

They pick

blood is spilled

all around

one is done

others around

They take turns

Spilling mud

On the ones

Who are swans

Visa

Waiting for a six

Waiting  for   a long time

Keep eyes  in  fix

A ball just clicks

If bowler thinks

The men  take  pics

The bats are thicks

The batsman  hits

The  ball just flicks

The boss   then sees

The  batsman nicks

The slipman picks

The  ones where are vise

Class

One is down

others are up

all one down

one is up

Love of Death

All is gone

In love of death

For them to cherish

alive  or dead

They used weapons

in love  of death

to kill the ones

the alive or dead

For them to cherish

Alive or dead

They used rods

To master death

They tried one

By virtue of faith

A month of December

An old man

left  alone

(recalling past

Passing street

in December)

loitering

for journey to end .

Been along one

though  not one 

that he wished

it would be

Month of December

Long year end

Long year end

New year starts

Internal compliments / strategies

Cold

Victory

Stary 

Let us walk together

In peace

Not as strong / left alone

proud of past

want to guide young

Dream-1

I dream  to be an engineer

(for my parents) want it to be

I dream to be a doctor

For my parents consider it

Wonderful

I dream to be an engineer

For my Parents consider

It is wonderful

Dream-2

I want to be an engineer

For my artist mom gets  underpaid

I want to be a doctor

For my father  suffered  a death

I want to be a dead

For my life seems ( unbearable)

Reading  day and  night  and

waiting for  examination

its unbearable

Protest

I need  to protest

I want Jamaat banned

I want the protest  to give

positive outcome

I eye to deliver  verdict

For Quader Mollah

Shahbagh Protests

Tanwir Muhammad Taqi

The protests at Shahbagh in Dhaka have drawn wide attention in Bangladesh and elsewhere with the headlines in mass media and Internet-based social media. The protests started on February 5, 2013 demanding death penalty for Jamaat leader Abdul Quader Mollah who was given life term imprisonment by the International Crimes Tribunal. The protesters demanded ban on Jamaat-e-Islam as a political party also. Only a few bloggers and online activists with a banner launched this movement and soon it turned into a human sea at Shabagh as people from all walks of life joined it considering the logical ground of the demand for the death penalty for war criminal Quader Mollah. The similar protests began in different parts of the country in the name of Gonojagoron Mancha. Even, the movement was launched in abroad. Gathering at Shabagh with the demand of capital punishment for Mollah was one of the largest gatherings the country’s people experienced in its history. The years of pent-up frustrations helped to boost the protests.

During the Liberation War in 1971, collaborators like Quader Mollah directly had assisted the Pakistani occupation forces and directly involved in rape, murder, arson attacks and genocide. The International Crimes Tribunal was set up in 2010 to prosecute such war criminals. The tribunal has taken three years to deliver the verdicts and “surprisingly” gave life term imprisonment to Mollah though he was involved in a number of bloody atrocities during the war and the allegations brought against him were proved without any doubt.

So, the youths rejected the verdict, stayed round-the-clock at ‘Projonmo Chatter’ at Shahbagh which actually became the place of protest by the new generations. They demonstrated 24-hour with the help of some volunteers who provided them with food and water to continue the protests. The whole country is seen united under the context of war crimes trial.

They chanted various slogans and lit candles against the verdict and the war criminals without any interval. They had no political affiliation but they thought for the positive change in the country. They all want to see a new secular Bangladesh without using religion (Islam) in politics where propaganda will not get any public support.

They also demanded ban on Jamaat-e-Islam as a political party which directly opposed the Liberation War and death sentence for other war criminals for the crimes against humanity during the war. The general people were frustrated when the people didn’t understand the stance on the Shahbagh movement. Though it was encouraging that the people once more united with the spirit of the Liberation War. People from all strata, including school and collage students, attended sit-in programmes, processions and other forms of demonstrations but these programmes continued definitely in peaceful manner.

Now it is our duty to ensure that this mass movement will continue without any fail and its impacts found among youths will not be lost forever. The people had resisted war criminals in the Liberation War and now we should foil their attempts of creating unrest in the country. Jamaat and Islami Chhatra Shibir have turned into violent organisations again after 42 years of the Liberation War when people saw their defeat. They have attacked law enforces several times since November, 2012. Recently they have involved in vandalism and attacks and creating panic among public on the streets with brandishing arms and blasting bombs openly. As reports say, they are planning “suicide attacks” to create more unrest in the country. So, it is our duty to resist the criminal acts anyhow. Amid backdrop of recent terror struck by Jamaat-Shibir, we should shout again and again: `Jamaat-Shibir Nipat Jak’.

Postmortem of a martyer

They kill animals

like  humans would do

They use blades

and  machetes

to cut open the throat .

to see blood rain over them

they enjoy .

They use machetes

To peel off the skin

As smoothly as a seov layer

and see

the muscle/ bone inside

They

chop the bone

to pieces

and make

chopping fun

They wear the bones

as bravery  sits

on the collars

They eat the flesh

as  bravery eaters

their  bones.

They 

the black ones

kill bones

of  society as well

They kill

bones  to make them wear

the  bones tear  apart

flesh  tear  apart

wearing bones

They click on rifles

to kill the bones

So that

the flesh  can’t talk

The click

bones  to  the home

and make them wear

they  click  bones

to make them wear

To make them sick 

They wear.

They use bones

as  macketes  to

kill humans 

They like blood

And dirt of the human mind

They use dirt to  write up

Innocents of society

And make them fear the  worst.

Come back Bangladesh

They remains

after 41 years

of   liberation war

to see the dawn of

a new era

A one

where no one like him

lives

No one  manages

to kill  anyone

No one thinks

of  this

The people live in harmony

And kill the  Bangladeshi  sons

who called  it  in war

They wait for justice

For  a trial to  end

They are

the war heroes

The  Call

for a nation  to stand up

from  a nation  that in ruins

a wake up call

Do  ye  hear it?

The voice of the martyrs

Saying its long been

A transitory  phase

And its time to go ahead in time

Must have been time that Bangladesh learns  walk  on its day

He sees bright future  ahead

but through  a dense  fog which clears

Bangladesh  we beauty

Where  or you

In time

Where  others

Are way forward

Leading the time backwards

They  born in horror

To see you come back where will you come

My  Bangladesh

Who are Swans

They use muscles

to kill a society

and use dagger

to chop it up.

They use blood 

to stain  their shirts

and wear it in place

where men fear

They use it

to wear  T-shirts

stained  in blood

mud , not mud

A smooth groove

on the throat

and the mud  slide

starts

A flat knife

used to kill

a daa – ramdaa

also seen

They pic

blood is spilled

all around

one is done

others around

They take turns

Spilling mud

On the ones

Who are swans                                                          

Visa

Waiting for a six

Waiting  for   a long time

Keep eyes  in  fix

A ball just clicks

If bowler thinks

The men  take  pics

The bats are thicks

The batsman  hits

The  ball just flicks

The boss   then sees

The  batsman nicks

The slipman picks

The  ones where are vise

Class

One is down

others are up

all one down

one is up

Love of Death

All is gone

In love of death

For them to cherish

alive  or dead

They used weapons

in love  of death

to kill the ones

the alive or dead

For them to cherish

Alive or dead

They used rods

To master death

They tried one

By virtue of faith

A month of December

An old man

left  alone

(recalling past

Passing street

in December)

loitering

for journey to end .

Been along one

though  not one  

that he wished

it would be

                                                             Month of December

                                                               Long year end

Long year end

New year starts

Internal compliments / strategies

Cold

Victory

Stary 

                                                          Let us walk together

 In peace

Not as strong / left alone

proud of past

want to guide young

Dream 1

I dream  to be an engineer

(for my parents )  want it  to be

I dream to be a doctor

For my  parents consider it

Wonderful

I dream to be an engineer

For my  Parents consider

It is wonderful

Dream-2

  I want to be an engineer

For my artist mom gets  underpaid

I want to be a doctor

For my father  suffered  a death

I want to be a dead

For   my life seems ( unbearable)

Reading  day and  night  and

waiting for  examination

its   unbearable

Tanwir Muhammed Taqi

তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী’র কবতিা

                             একজন শহীদরে ময়নাতদন্ত

                             ওরা প্রাণী হত্যা করে

যা মানুষ কর।ে
ওরা ছুরি ও
ধারালো অস্ত্রদয়িে
দ্বখিন্ডতি করে কন্ঠনালী,
ওরা উল­াসে দখেে
কভিাবে শরীর থকেে
বৃষ্টরি মতো রক্ত গড়ায়Ñ
ধারালো অস্ত্র দয়িে
শরীররে চামড়া ছলিে নয়ে,
এবং দখেে ভতেররে মাংসপশেী ও হাড়গোড়।
ওরা টুকরো টুকরো করে হাড়গোড়,
খন্ড বখিন্ড করে ফলেে
বীভৎস উল­াস।ে
এই সব হাড়গোড় শরীরে জড়য়িে
জানান দয়ে নজিদেরে সাহসকিতা,
স্মারক চহ্নি করে
ঝুলয়িে নয়ে গলায়Ñ
ওরা সইে সব মৃত মানুষরে মাংস খায়
র্ববর অন্ধকার যুগে যমেনি মানুষখকেোরা
ভক্ষণ করছেে তাদরে স্বজাতকিÑে
ওরা
অন্ধকাররে পশু
হত্যা করে জীবন
হত্যা করে সমাজ
ওরা হত্যা করে
কারণ মৃতরে রক্তমাখা হাড়গোড়
ওদরে ভূষণ।
ওরা রাইফলেরে গুলি ছুড়ে
হত্যা করে স্পন্দতিজীবন
যাতে
স্পন্দনরে শব্দ প্রতবিাদ হয়ে উঠতে না পারে
ওরা রাইফলেে ট্রগিার টপিে
প্রতবিাদরে চৎিকারকে স্তব্ধ করে দতি,ে
হাড়গোড় শরীরে জড়ায়;
ওরা হাড়গুলোয় সজোরে
আঘাতরে পর আঘাত করে চলে
যাতে ঐ হাড়গুলো দহেধারণ করে
জগেে উঠতে না পারÑে
এইসব রূপান্তরতি হাড়গোড় ওদরে ভূষণ,
ওরা স্তব্ধ করে দতিে চায় জীবনরে স্পন্দন,
পরধিানে
দহেরে অস্থি ব্যবহার কর,ে
ধারালো অস্ত্র দয়িে
হত্যা করে জাতরি শ্রষ্ঠেসন্তান,
ওরা মানুষরে রক্ত ভালোবাসে
এবং মানুষরে হৃদয়কে বষিয়িে তোলে
বকিৃত করে
সমাজ আর নষ্কিলুষ মানুষরে;ে
ওরা ভয় দখোতে চায় আদমি হংিস্রতায়!

ফরিে এসো বাংলাদশে

                                                       তাঁরা বঁেচে আছে

স্বাধীনতার ৪১ বছর পরওে
একটি নতুন যুগ,
একটি নতুন সময়,
যখোনে ঘৃণা অপমান নইে
সইে সব জীবন
যখোনে উন্মত্ত হবে না কউে কাউকে
হত্যার জঘিাংসায়,
অমঙ্গল অকল্যাণ ঠাঁই নবেে না কারো চন্তিায়
সমতার সমাজ হব,ে
সবারই আর্দশ হবে বাংলাদশেরে সইেসব সন্তান
যাঁরা যুদ্ধরে ডাক দয়িিে লো,
যাঁরা অপক্ষোয় আছে আজো একটি বচিাররেÑ
একটি বচিার
যা শষে করার জন্যে
তাঁরা
যুদ্ধরে সইে সব নায়করো
ডাক দয়িে যায়Ñ
জাতরি জন্য,ে জগেে ওঠার জন্যে
ওই জাতরি জন্য;ে যারা ধ্বংসরে মধ্যওে
নতুন জীবনরে ডাক দয়িে যায়;
তুমি কি শুনতে পাও
সইে সব শহীদদরে কন্ঠস্বর
যা প্রতধ্বিনি হচ্ছে বহুদনি ধর?ে
সময় খুব কম
সামনে এগয়িে যাবার
এটাই যর্থাথ সময়Ñ
অবশ্যই বাংলাদশে জগেে উঠবে
সামনরে উজ্জ্বল দনি
মঘে মুক্ত আকাশ
আমার রূপসী বাংলাদশে
এই সময়ে তুমি কোথায়?
কোথায় আর সব
যাঁরা ধাবমান
যাঁরা পছেনওে নতেৃত্বে থাকে
যাঁরা ভয়রে মধ্যে জন্ম গ্রহণ করে
তাঁরা অপক্ষোয় আছ,ে
তুমি ফরিে এসো,
ফরিে এসো সখোন থকেে
ফরিে এসো
আমার বাংলাদশে।

কারা সইে রাজহাঁস

ওরা সমাজকে হত্যা করে
পশেীশক্তি দয়ি,ে
টুকরো টুকরো করে
ধারালো অস্ত্র ও ছুরি দয়িÑে
ওরা চায় রক্ত
ওদরে র্শাটে কাপড়ে মখেে
মানুষকে দখোবে বলÑে
ওরা রক্ত দয়িে রাঙয়িে নয়ে জামা,
রক্তাক্ত, কলঙ্কতি, কাদামাখা;
অথচ কাদা নয়
এ এক মসৃণ যন্ত্রণা;
কন্ঠনালী থকেে
এ যন্ত্রণা গড়য়িে পড়ে রক্তরে মতো
বীভৎসতার শুরু এখান থকেÑে
একটি মসৃণ চাপাতি
হত্যার জন্যে
একটি দা-রামদা
ধারালো, চকচকে
এবং
ক্যামরোয় ছবি উঠতে থাকে
রক্ত ঝরার দৃশ্যরেÑ
ওরা চর্তুদকিে
একজন নচিে
অন্যরা তাকে ঘরিে
ঘুরতে থাকে চক্রাকার,ে
যন্ত্রণার রক্ত ঝরে ঝরে পড়ে
ওদরে ওপরÑে
কারা সইে রাজহাঁস?
ওরা কারা!

ছাড়পত্র

অপক্ষো একটি ছ’এর জন্য,
অপক্ষো একটি র্দীঘ সময়রেÑ
নষ্পিলক তাকয়িে থাকা।
একটি বলরে টক্ িশব্দ,
যদওি বোলার দ্যাখে
সবাই তার ছবি নচ্ছিÑে
ভারি ব্যাট দয়িে
বলটতিে হালকা আঘাত করে
ব্যাট্সম্যান;
প্রভূর চোখ পড়ে তখনি
শষে মুর্হূতে ধরাপরে কশিোর,
আর তখনি বলটি পয়েে যায়
মাঠরে বাইরে যাবার ছাড়পত্র।

বাতঘির

র্দীঘ একটি বছররে শষে,
নতুন বছর শুরুÑ
আভ্যন্তরীণ সৌজন্য, কৌশল
নরিুত্তাপ স্বাধীনতা;
তারকামন্ডতি।
এসো আমরা একসাথে চলি
প্রশান্ততি,ে
ক্ষপ্রিতায় নয়, অথচ বায়,ে
কালরে গৌরবরে
সইে সব তরুণদরে বাতঘির হয়।ে

                                  চত্রৈমাস

একজন বৃদ্ধ
খুবই নঃিসঙ্গ,
অতীতরে রোমন্থন
চলমান পথে
চত্রৈ মাসÑে
ইতস্তত ঘোরাফরো,
শুধুমাত্র শষেরে অপক্ষো,
শুধুই একাকীত্ব,
যদওি একা নয়
যা সে আশা করছেলিো
তা হবে
চত্রৈ মাসÑে

স্বপ্ন

আমি প্রকৌশলী হতে চাই,
যা আমার শল্পিী মা-এর
র্কমরে শকেড়ে শক্তি যোগাবে Ñ
ডাক্তার হতে চাই,
যাতে আমার বাবা মৃত্যুর যন্ত্রণায়
কষ্ট না পানÑ
আমি মৃত্যুর প্রতমর্িূতি হতে চাই,
অসহনীয় জীবনবোধরে জন্যÑে
রাত্রি ও দনিরে পড়াশোনা,
অপক্ষো পরীক্ষার জন্যে
সত্যইি অসহনীয়!

স্বপ্ন

আমার স্বপ্ন উদ্ভাবনী শল্পিী হওয়া,
বাবা-মা এর ইচ্ছাও তাইÑ
স্বপ্ন একজন ডাক্তার হওয়া,
তাঁরা বললনে, এটা চমৎকারÑ
আমার স্বপ্ন উদ্ভাবনী শল্পিী হওয়া,
তাঁরা বললন,ে এটা বস্মিয়কর!

                    শ্রণেি

                    একজন অধঃপততি,
                        অন্যরা উচ্চতায়;
                        সকলইে অধঃপততি,
                        শুধু একজনই উচ্চতায়!

মৃত্যুর ভালোবাসা

সকলইে চলে যাবে
মৃত্যুকে ভালোবসেÑে
সযতœে আগলে রাখে হৃদয়ে
জীবন অথবা মৃত্যুÑ
তারা অস্ত্র নয়িছেলিো

মৃত্যুকে ভালোবসেÑে
খুন হলো একজন,
জীবন অথবা মৃত্যু
সযতœে আগলে রাখে হৃদয়Ñে
হাতে রড তুলে নয়ে
হত্যাকে আয়ত্তে আনত;ে
তাদরে সংকল্প ছলিো
বশ্বিাসরে নতৈকিতায়Ñ

প্রতবিাদ

এখনি সময় প্রতবিাদরেÑ
আমি জামায়াতকে নষিদ্ধি চাই।
আমার প্রতবিাদ
আর্শীবাদ হোক সকলরেÑ
আমি সকল শহীদদরে পক্ষ থকেে
কাদরে মোল­ার
বচিাররে রায় দতিে চাই….

ভাষান্তর: মাকসুদুল আরফেনি

তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী (৫ অক্টোবর ১৯৯৫ – ৬ র্মাচ ২০১৩) এবছর ৬র্মাচ বকিলেে নখিােঁজ হয়। এর পরদনি তাঁর এ লভেলে পরীক্ষার ফল প্রকাশতি হয়। পর্দাথবদ্যিা ও রসায়নে বশ্বিরে র্সবােচ্চ নাম্বার পয়েছেনে। তাঁর ওলভেলে পরীক্ষায় পর্দাথবদ্যিায় দশেরে র্সবােচ্চ নাম্বার ছলি। ৮ র্মাচ সকালে নারায়ণগঞ্জরে শীতলক্ষ্যা নদীর কাদাবালি থকেে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। র্দুবৃত্তরা নৃশংসভাবে এ অজাতশত্র“ মধোবী কশিোর কবকিে হত্যা করছে।ে তাঁর ময়নাতদন্ত রপর্িোটে উল­েখ করাহয় হত্যাকারীরা তাঁকে মাথার তনি দকি থকেে আঘাক কর,ে গলা টপিে শ্বাসরোধ করে হত্যা করছে।ে একটি চোখ উপড়ে এনে দহেরে মধ্যভাগরে একটি অঙ্গ থঁেতলে দয়িছে।ে মৃত্যুর পর তাঁর খঁেরো খাতায় পাওয়া যায় গণতি ও পর্দাথ বজ্ঞিানরে সূত্র ও তত্ত¡ের পাশাপাশি বাংলা ও ইংরজেতিে লখো কছিু কবতিা, ভাবনার নবিন্ধতি কছিু কথা ও কাব্যময় বক্ষিপ্তি কছিু ছত্ররে সমাহার। ইংরজেি থকেে এ কবতিাগুলো বাংলায় ভাষান্তর করছেনে মাকসুদুল আরফেনি। এ কবতিাগুলো তাঁর মৃত্যুর মাসদু’এক আগে লখো।

Pythagoras : A great mathematician in Greek antiquity

Pythagoras was one of the first of the great mathematical names in Greek antiquity. This great mathematician was born about 584 B.C. in same belonging to the Tonian colony of Greeks planted on the western shores and islands of Asia Minor. In 529 B.C., he settled at Crotona, a town of the Dorian colony in south Italy and there he began to lecture upon philosophy and mathematics. His lecture room was thronged with enthusiastic hearers of all ranks. Many of the upper classes attended, and ever woman broke a law which forbade them to attend public meetings, and stocked to hear him.

Fatullah Stadium

I say almost anything. But the other night, when I was fast asleep I heard much clattering and banging downstairs. I thought it was a burglar. However, as I was burgled a few months ago and there is nothing left to steal, I went back to sleep.

The following morning, on entering the lounge, I was confronted by an unholy mess: flower vases knocked over, dust everywhere and a stunned–looking pigeon with a headwound trying to hide in the only corner of the room not splattered in its own droppings. It had come through the open window and having a brain the size of peanut, was unable to find its way back out.

What is so frightening about a pigeon?

ÔNothingÕ is the reasonable answer. Yet for the first time, I felt in need of a man.

I opened all the windows, then ran away. An hour later, the pigeon was still sitting there. So, I went and armed myself with a broom to sweep it towards freedom.

ABC International School takes a ride for using
a quadrat to sample from a habitat

Ecology is basically the study of inter-relationships that exist among organisms and between organisms and their external environment. In analysing an ecosystem (i.e. a distinct self-supporting system of organisms interacting with each other and with a physical environment), the first step for an ecologist is to estimate the populations (i.e. the total number) of all the species existing in that area. For a large ecosystem, counting all the organisms is not what one would like to do. Instead, quadrats are used to have an estimate of the populations of organisms which do not move much (examples are plants, snails). A quadrat is a small sampling square made of wood, metal or plastic.

On October 28, 2010, Thursday, science students of Class–X, under the supervision of their teacher of Biology Golam Moula, had started their first step of study of inter-relationships which exists among organisms and between organisms and their external environment.

Earth’s structure

Earth, a rocky planet, has a diameter of 12,756 km. This huge ball of 4.6 billion years in age is divided into several layers. The uppermost layer is the atmosphere. Below that is the crust–a layer of solid rocks most of which is covered by water. Mantle is the layer beneath that. The outer core is mainly of the magnetic metals iron and nickel. This layer causes EarthÕs magnetic field. The inner core is very hot for radioactivity and extreme pressure. But the pressure stops the inner core from melting.

EarthÕs crust had formed as the planet cooled down while it was very young (before that, it has totally molten). When further cooling had occurred, the crust cracked and divided into 9 major tectonic plates and a number of smaller ones. These plates move continuously along the crust with speeds of 2.5 cm- 5 cm per year. When these plates get stuck by each other and can not move, tension starts to build up which is released by earthquakes. About 800-700 million years ago, there was just a single continent, called ÔRhodiniaÕ. That was broken away into separate continents as plates had changed their position. Then about 250 million years ago, there was only one super continent called ÔPangaeaÕ and a super ocean called ÔPanthalassaÕ. But that also broke away. The crust is still changing to form new continents even if we donÕt notice it.

An introduction about chemistry

What is chemistry? How do we benefit from its study? What competences, skills, and attitudes are students expected to acquire as they experience the study of chemistry? How can we put chemistry to work for us? Does it have any social implications for us? These are some of the questions which pass through the minds of young students. We hope that after they have completed the course contained in this textbook, they will be a long way towards an appreciation of answers to these questions.

Chemistry is the study of the nature and properties of all forms of matter–the substances which make up our environment–and the various changes which these substances undergo in different conditions. It includes manÕs attempts to transform the natural world in order to benefit from natureÕs complexities and hidden resources. Chemistry is typically an experimental science and relies primarily on practical work. It is usually studied along with other related subjects such as biology, physics, earth sciences, and mathematics. Chemists, like other scientists, rely on an agreed body of fact–and–theory, and the relationship between theory and experiment is gradually developed throughout this book. A major task of a beginner in chemistry is to acquire a range of competences, skills, and attitudes which will include the following.

Picnic: An enjoyable entertainment

One of the best and most enjoyable entertainment is picnic. It is a day when we spend the time with friends and family in a beautiful place. Picnics are really a different and enjoyable moment out of our homes and offices. Some days ago, we, the students and teachers of our school, went to a picnic at Nandan Park. We experienced the true joys of a picnic in that day.
We started the journey early morning. In the bus, we were all singing, telling jokes. We were getting close to the picnic spot every moment. The greatest fun was at the entertainment park. There were a lot of rides in Nandan Park. We all enjoyed the rides. As we were all together, our fun was multiplied thousands of time. We also enjoyed the natural beauty in Nandan Park. There were green trees everywhere. There were also wild animals in cages.
At the noon, we all sat down under the trees. In the cool and wonderful environment, we ate our lunch. At the afternoon, we paddled boats in a large, blue lake. Even our teachers were enjoying the picnic with us. Our joys were increased by a lot of times in seeing everyone around us enjoying. That was a day when I saw everyone in a happy mode. Of course, the reason of that fun was not the rides, but because we were altogether in a picnic. After that, we all started the journey back home by bus. But the end of a picnic does not mean the end of all picnics. Humans will go to picnics when they want entertainment from nature with their friends and family. There is no better way of entertainment than picnics if we go with our friends and family.

Swine Flu

A new disease has caused global concern recently. The rapid spreading of this disease was declared first on April 23, 2009. This disease is Ôswine fluÕ.

Swine flu is caused by the new swine influenza A or influenza H1N1 virus. It formed by the genetic mutation and combination of the common influenza virus, avian influenza virus and swine influenza virus. Humans do not have natural immunity against this new virus. So when it was first transmitted into humans from infected pigs, the virus quickly spread among humans.

Influenza H1N1 virus harms the respiratory system of humans. This virus spreads by coughing and sneezing of infected people. When the droplets of sneezing and coughing containing the virus reaches the nasal passage, the person becomes infected.

Swine flu symptoms are very similar with other influenza symptoms. The symptoms are fever, vomiting, body pains, cough, sneezing, nasal congestion and sore throat. But symptoms appear a few days after a person is infected. In fact, the transmission of the virus from the infected person is possible one day before the symptoms appear.

If people have only swine influenza, their disease will be cured naturally. They just need to take rest at home. But swine flu can also cause death if there is no proper treatment. This occurs when swine flu is followed by pneumonia or bacterial infection, and influenza complication occurs. If people having diabetes disease in heart or lungs have swine flu, complication occurs in the disease. Treatment is needed in any case of complication.

Influenza H1N1 virus is sensitive to the antiviral drugs oseltamivir and zaminivir. Any swine influenza patient must be treated with these drugs. People can also be vaccined against swine flu. The vaccine was discovered at the middle of 2009. Many developed countries ordered for the vaccine before. Bangladesh will get supplies of this vaccine at the beginning of 2010.

However the transmission of swine flu can be prevented easily if some precautions are maintained. People must wear face-masks outside home. Face-masks prevent infected droplets from spreading. People must always cove their faces when coughing or sneezing. Hands should be washed clearly at regular intervals. People with influenza symptoms must stay at home. Anyone having fever along with breathing problems must take advice from a physician instantly. Laboratory test is necessary to be sure that a person has swine flu.

The first person to die from swine flu was of Mexico. Swine flu quickly spread to many parts of the world. Some thousand of swine flu patients have died in the world. The first swine flu patient in Bangladesh was identified in June, 2009. Until now, a few people have also died from swine flu in Bangladesh.

But only about 1% of swine flu patients die for the disease. There are about 260,000 swine flue patients in the world. But most of them are cured with simple or no treatment. Though it is feared that swine flu will spread rapidly in this coming winter, it can be prevented if people are serious about it. Every government have taken steps to prevent the spreading of this disease. Treatment for swine flu is also possible in most countries.

Most people are very tensed about swine flu. But their fear is exaggerated. Medical science is much more developed now than in the last century. So an epidemic will of course not occur if people are serious about swine flu.

The super-cyclone Sidr

ÒMy life changed for a storm, one and half years ago. Sidr!Ó the boy said.

I too remembered about that night of 15th November, 2007. The super-cyclone Sidr carried out its destruction all over Bangladesh.

I remembered about that storm. It killed 3 thousand people. Vast areas of forests and plantations were devastated.

We decided to visit Ramna Park before returning home that day. In the cloudy afternoon I left Sishu Park with my parents.

Ramna Park was very near. It was crowded. Hawkers were earning well in there My father called a boy selling nuts and we had some nuts. The boy was about ten years old. His trousers and T-shirt were ragged.

My father asked, ÒDo you live permanently in Dhaka?Ó The boy said that he was from ÔDublar Char,Õ a village south of Bangladesh. He said that he lived there with his parents. His father was a fisherman. His mother looked after some cows and hens at home. I asked why he was in Dhaka. ÒMy fate!Ó the boy said, with his eyes wet.

The boy continued, ÒAt dawn I found the storm over. But it took away my father and mother. I didnÕt find my parents. Dead people, cattles, hens, everything lay beside each other. Houses were destroyed. There was a deep cut on my right leg. A kind doctor gave treatment to me personally. I had no way to live in village anymore. Everything was damaged there. I came to this city. I carried luggage at the rail station for 6 months. But for about a year IÕm selling nuts.Ó

My father asked, ÒHow much for the nuts?Ó and paid. The boy, with the unbearable memory in mind, smiled, took the money and went away.

English: A most popular language

English is one of the major languages in the world. It is the 3rd language by number of native speakers, but outnumbers Mandarin and Spanish if itÕs use as second language is considered. Around the globe, over 375 million people know the language of English. Due to the British imperialism of over two centuries in major parts of Asia and Africa, English has been learnt by huge populations in the world. It now forms the primary language of communication between countries.

But is most popular if the second language is considered.

It is a great pleasure

The coming of Eid brings with it huge amounts of joy and happiness. While the anticipation is more for Eid-ul-Azha with all the slaughtering to take place, the situations keep arising to remind us weÕre not in heaven yet. It is marred by the poor economy of the country which forced many to abandon their ideal shopping list and go for a scanty few. The troubles of transportation, an ordinary one, peaks up just in time to the theoretical crescendo and ensures people are still disturbed by it.
It was the Eid-ul-Azha coming once again to brace us and then bid adieu, promising to wash off all evil from our minds, and to make us HisÕs favourites. The preparations to the festival was however marred by high prices of everyday items. People willing to celebrate Eid in a festive mood. Due to poor economy of the country, many had to cut short their shopping lists in order to match the budget with demand. The overall infrastructure of the transport system still causes woe in all our minds. Is it necessary for us to get accustomed to these problems, or it there a way out to celebrate Eid in our dreamlike manner?

Independence

An independent person is one who is the sole decider of what his beliefs will be, what thoughts he will posses and what actions he will undertake. And not everyone is independent. No matter how much he feels to be.

As we know, humans are biological beings. We may be different from the other varieties of life. But we still share the same basic instincts as a scared rabbit or a hungry eagle due to our biological self. What are termed as the Ôdeadly sinsÕ actually help humans continue their survival, both as the individual and the community. Imagine how useful your pride will be when you get to shortlist Ôfive peopleÕ to settle on Mars the whole Earth is destroyed. But at the same time, the deadly sins or desires keep our intellectual development suppressed to the minimum. The brilliance of human wisdom is well shadowed by the darkness of desires.

The Greek great Plato states the human spirit as consisting of wisdom, valour and desires. Stimulates acquiring knowledge, understanding through logical reasoning. It is the duty of wisdom to take logical decisions. However, desires are primarily the source of all our misdeeds and wrongdoings. Just as a spirit should rule over the body, wisdom is supposed to be controlling the desires with its logic. The role of valour is to help the wisdom gain control over the desires. But that is what Ôshould happenÕ and not what usually happens. That is when humans get overpowered by lust, gluttony, and anger. It is uneasy for desires to take control over wisdom where logical thinking is limited. Your ability to think is not there. Senses of pleasure take hold of you. All you can want is more of sensual able to think clearly and take independent decisions. People who will act depending on their desires or on ÔvaluesÕ predetermined by society do not enjoy the independence of their wisdom or rational thinking. But ideal man can justify his stance with against the society with his own wisdom and not othersÕ advice. He knows clearly what is right and what is wrong. He cannot be confused, but is sure that his path is better. That is the joy of independence to freely decide where you are going, and not being provoked by others.

Intellectual independence
Pleasure with intellectual development ceasing. In the long term, it compels you to criminal commitments for satisfying your desires.

But fortunately for most of us the control of logic over desires is a mixture of the two situations. It would take years of nurturing the soul with logical reasoning and an Ôideal manÕ But a set of rules or laws, are available in every society as the guidelines for people to follow. commonly referred to as ÔmoralÕ or Ôethical valuesÕ. These Ômoral valuesÕ are actually the knowledge that would arise in the Ôideal personÕ through acting logical thinking.
But just as antibiotics being passively introduced into an ill person has desirable effects, instilling the moral values passively into a person will help him practice self control. He will be able control his desires by degrees enough for him to live a happy life.
Desires are natural to any animal having a life. But the presence of wisdom is only limited to humans having considerable amount of self-control. It is obvious that those whose rational thinking dominates the irrational desires will be enlightened with absolute knowledge. They will be

(বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে বিক্ষিপ্ত ভাবনার প্রতিফলন তার খেরো খাতায়। এখানে তারই অংশ।)

লালন সাঁই ও তাঁর গান

তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী

ফকির লালন সাঁই বাউল ঐতিহ্যের সবচেয়ে উজ্জ্বলতম নাম। তিনি বিভিন্ন ঐতিহ্য ও উৎসের ভক্তিমূলক আচার-অনুষ্ঠানকে সমন্বিত করে নিজের স্বতন্ত্র, নিজস্ব ও একক একটি অবস্থান তৈরী করেছেন। বৌধ্য ধর্মের সহজিয়া, বৈষ্ণব তত্তে¡র সহজিয়া ও ইসলামের সূফিবাদের সমন্বয়ে এবং বিভিন্ন ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের মাধ্যমে শিল্পের প্রকরণগত সতন্ত্র-বৈশিষ্ট তৈরী করেছেন। তৈরী করেছেন সার্বজনীন ও চিরায়ত এক জিজ্ঞাসা। লালন সাঁইকে খাঁটি বৈষ্ণব অথবা শুদ্ধ সুফী কোনটিতেই ফেলা যাবে না। লালনের গান বহুবিস্তৃত মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। লালনের গানের কথা ও সুরে এক রহস্যময়তা ও অলৌকিক সান্নিধ্য বিদ্যমান। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর ১১৯ বছর পরেও তাঁর গানের মৌলিক ও নিখাদ রূপটির সংরক্ষণের কাজটি করা যায়নি। যদিও সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, এন.জি.ওগুলো ও বিভিন্ন ব্যক্তি স্বউদ্যোগে ১৯৬০ সাল থেকে লালনের উপর কাজ করে চলেছেন কিন্তু এর বেশির ভাগ কাজই প্রচার সর্বস্ব, লোকদেখানো। তারপরেও এ কাজের মধ্য দিয়ে প্রশ্ন ও বিতর্ক যেমনি তৈরী হয়েছে, আবার লালনের দর্শন ও কর্ম নিয়ে বহু উচ্চমানের গবেষণা এবং আলোচনাও তৈরী হয়েছে।

লোক সংগীতের ক্ষেত্রে মৌলিক যে সমস্যাটি রয়েছে, কন্ঠ থেকে কন্ঠে প্রবাহমানতার ফলে এর আদি ও মৌলিকত্বের পরিবর্তন ঘটে চলে। ধ্বনি, জ্ঞান ও সুর কন্ঠ থেকে কন্ঠে স¤প্রচারিত হতে হতে এর পরিবর্তন অনিবার্য। লালনের গানের ক্ষেত্রেও এর ব্যাতিক্রম ঘটেনি। লালন সাঁই নিরক্ষর ছিলেন। তাঁর শিষ্যদের মধ্যে ফকির মনিরুদ্দিন শাহ্ মাঝে মধ্যে তাঁর গানের কথাগুলো শুনে শুনে টুকে রাখতেন। কিন্তু মনিরুদ্দিন শাহ্ এর লেখা পান্ডুলিপিগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষিত না হওয়ায় এখন তার আর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না। অন্যদিকে বাউল ধর্মের অনুসারি যাঁরা, যাঁরা লালনের ধর্মীয় মতবাদ ও মানবতাবাদের অনুসারি তাদের কাছেও এর পান্ডুলিপি নেই। ফলে দশকের পর দশক কবিতার চরণগুলো বাউলদের মুখে-মুখে রূপান্তরিত হয়েছে। মূল থেকে গীতিকবিতাগুলোর পরিবর্তন ঘটেছে।

কোনকোন গবেষক লালনের গানের সংখ্যা দুই হাজার বলে উলে­খ করেছেন; আবার কোন কোন গবেষক ও বাউলদের মতে এর সংখ্যা ১০ হাজারেরও বেশী। লালনের মৃত্যুর বহু বছর পরে যে সমস্যাটি তৈরী হয়েছে তা হল লালনের গান যেমনি অন্যের নামে প্রচারিত হচ্ছে আবার কিছু অন্যদের গানও লালনের গান বলে দাবি করা হচ্ছে। গোপাল শাহ্, আদম চাঁনের কিছু গান লালনের নামে প্রচারিত হচ্ছে বলেও কথা রয়েছে। ‘চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে’ গানটিকে কেউ কেউ শরৎ বাউলের গান বলে যেমনি উলে­খ করেন, আবার ‘বল কী সন্ধানে যাই সেখানে’ গানটিকে মুকুন্দ দাসের গান বলেও কেউ কেউ দাবি করতে চান। লালনের ‘তিন গর্ভে আছেরে এক ছেলে’ গানটি লালনের কিনা তা নিয়েও আবার কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন। কারণ এটি একটি খাঁটি বৈষ্ণব বাদের উপর ভিত্তি করে রচিত গান। মোদ্দাকথা এসব বিতর্ক নিয়েই লালন সাঁই আমাদের মাঝে বিদ্যমান।

Follow Us

2,895FansLike
989FollowersFollow