345

প্রস্তর খণ্ড

আমি প্রস্তর হয়ে মরলাম উদ্ভদি হতে
উদ্ভদি হয়ে মর,ি তো উত্থতি প্রাণে
মানুষ হয়ে উঠলাম পর,ে যখন সত্য উদ্ভাসতি হলো
ভয় কসিরে? দ্বধিা কনে মৃত্যুত?ে

লুকোচুরি

লুকোচুরি খলেব বলে
চলে এলাম তোমার আগে
সংগ্রাম চলছে শাহবাগ-ে

শ্লোগান

হৃদয়ে আজ নব বসন্তরে গান
পাখরি ডাকরে সাথে ধ্বনতি হচ্ছে
শাহবাগরে শ্লোগান-

স্বদশে

ফুলরে মতো দৃশ্যমান
রক্তমাখা রাজীবরে চোখ
সবুজ পাতার সাথে
দৃশ্য জুড়ায় লাল-সবুজরে পতাকা।
যনে বলে ওঠে
এই তো স্বদশে
লাল-সবুজরে বাস যখোনে
প্রকৃতি ও সংগ্রাম।ে

মানুষ চাই সমানে সমান

সমগ্র মানবজাতি আজ এক কাতারে দাঁড়াব,ে
হংিসা বদ্বিষেরে র্ঊধ্বে উঠ,ে
জলাঞ্জলি দয়িে হসিাব কষা,
ছড়য়িে দবেে ভালোবাসার গান-
বলবে মানুষ চাই সমানে সমান।

সাম্য

ঘরে ঘরে জ্বলে উঠবে
জ্ঞানপ্রীতরি আলো,
থাকবে না হংিসা বদ্বিষে-
মানুষে সাম্য হবে
সকলইে এক হবে
সকলরে জ্ঞান হবে
আকাশ চূড়ায়।

প্রতযিোগতিা

মানবো না এই
প্রতযিোগতিা
বষিম খলো
অসুস্থতা,
স্কুলে কবেল
র্ফাস্ট হওয়া
নয় শষেকথা।

বর্বিতন

মাটরি সাথে বাস করা এক পঁিপড়ে
হঠাৎ একদনি উঠে দাঁড়ালো
ইচ্ছে তার মানুষ হব-ে

স্বপ্ন

আমাদরে স্বপ্ন
মানুষ হওয়া-
দু’বলো খাওয়াই তো
সব নয়।
আছে মানুষ হয়ে
চলার স্বাদ,
সমান অধকিার
জ্ঞানে পথচলার।

ভয়

বনরে ভতেরইে
থাকে দনিকাল,
বাহরিতেে যায়নি সে
দখেনেি সকাল।
বনরে ভতেরে যতো
পশু আর পাখি
আহার সকলই তার
কছিু নইে বাক।ি
সারা রাত জাগ,ে তবু
ভয়ে ভয়ে মর,ে
কখন না জানি হায়
বাঘ এসে ধর।ে

শহুরে পাখি

শহর হতে যে আসে
অচনি এক পাখ,ি
বলে আমি শহররে
খবর তো রাখ।ি
শহররে গুণগান
গায় যে সে পাখ,ি
বলে আমি আসলে তো
শহরইে থাক-ি
শহররে মানুষরে
আচার তো বশে
হথো তুমি যাও যদি
থাকবে না ক্লশে।
অবশষেে বলে পাখি
গ্রাম ভালো নয়,
এখানে তো পরবিশে
সুবধিরে নয়।
তখন থকেে যে হায়
বনমালী চায়,
চলে যাবে শহরইে
থাকবে না গাঁয়।

একঝাঁক কুকুর

একটা কুকুর
র্গজন করে ওঠে
একঝাঁক কুকুর
দৌড়ে এলো কাছে
দখেলো একটা শকিার
ঝাঁপয়িে পড়লো
তার কাঁধে
শষে করে দলিো
…প্রাণ।

একজন শহীদরে ময়নাতদন্ত

ওরা প্রাণী হত্যা করে
যা মানুষ কর।ে
ওরা ছুরি ও
ধারালো অস্ত্র দয়িে
দ্বখিণ্ডতি করে কণ্ঠনাল,ি
ওরা উল্লাসে দখেে
কভিাবে শরীর থকেে
বৃষ্টরি মতো রক্ত গড়ায়-
ধারালো অস্ত্র দয়িে
শরীররে চামড়া ছলিে নয়ে,
এবং দখেে ভতেররে মাংসপশেী ও হাড়গোড়
ওরা টুকরো টুকরো করে হাড়গোড়,
খণ্ড-বখিণ্ড করে ফলেে
বীভৎস উল্লাস।ে
এই সব হাড়গোড় শরীরে জড়য়িে
জানান দয়ে নজিদেরে সাহসকিতা,
স্মারক চহ্নি করে
ঝুলয়িে নয়ে গলায়-
ওরা সইেসব মৃত মানুষরে মাংস খায়
র্ববর অন্ধকার যুগে যমেন মানুষখকেোরা
ভক্ষণ করছেে তাদরে স্বজাতকি-ে
ওরা
অন্ধকাররে পশু
হত্যা করে জীবন
হত্যা করে সমাজ
ওরা হত্যা করে
কারণ মৃতরে রক্তমাখা হাড়গোড়
ওদরে ভূষণ।
ওরা রাইফলেরে গুলি ছুঁড়ে
হত্যা করে স্পন্দতি জীবন
যাতে
স্পন্দনরে শব্দ প্রতবিাদ হয়ে উঠতে না পার।ে
ওরা রাইফলেরে ট্রগিার টপিে
প্রতবিাদরে চৎিকারকে স্তব্ধ করে দতি,ে
হাড়গোড় শরীরে জড়ায়;
ওরা হাড়গুলোয় সজোরে
আঘাতরে পর আঘাত করে চলে
যাতে ওই হাড়গুলো দহেধারণ করে
জগেে উঠতে না পার-ে
এইসব রূপান্তরতি হাড়গোড় ওদরে ভূষণ,
ওরা স্তব্ধ করে দতিে চায় জীবনরে স্পন্দন,
পরধিানে
দহেরে অস্থি ব্যবহার কর,ে
ধারালো অস্ত্র দয়িে
হত্যা করে জাতরি শ্রষ্ঠেসন্তান,
ওরা মানুষরে রক্ত ভালোবাসে
এবং মানুষরে হৃদয়কে বষিয়িে তোলে
বকিৃত করে
সমাজ আর নষ্কিলুষ মানুষকে
ওরা ভয় দখোতে চায় আদমি হংিস্রতায়!

ফরিে এসো বাংলাদশে

তাঁরা বঁেচে আছে
স্বাধীনতার ৪১ বছর পরওে
একটি নতুন যুগ,
একটি নতুন সময়,
যখোনে ঘৃণা অপমান নইে
সইেসব জীবন
যখোনে উন্মত্ত হবে না কউে কাউকে
হত্যার জঘিাংসায়,
অমঙ্গল-অকল্যাণ ঠাঁই নবেে না কারো চন্তিায়
সমতার সমাজ হব,ে
সবারই আর্দশ হবে বাংলাদশেরে সইেসব সন্তান
যাঁরা যুদ্ধরে ডাক দয়িছেলি,
যাঁরা অপক্ষোয় আছে আজো একটি বচিাররে-
একটি বচিার
যা শষে করার জন্য
তাঁরা
যুদ্ধরে সইে সব নায়করা
ডাক দয়িে যায়-
জাতরি জন্য, জগেে ওঠার জন্য
ওই জাতরি জন্য; যারা ধ্বংসরে মধ্যওে
নতুন জীবনরে ডাক দয়িে যায়;
তুমি কি শুনতে পাও
সইেসব শহীদদরে কণ্ঠস্বর
যা প্রতধ্বিনি হচ্ছে বহুদনি ধর?ে
সময় খুব কম
সামনে এগয়িে যাওয়ার
এটাই যর্থাথ সময়-
অবশ্যই বাংলাদশে জগেে উঠবে
সামনরে উজ্জ্বল দনি
মঘেমুক্ত আকাশ
আমার রূপসী বাংলাদশে
এই সময়ে তুমি কোথায়?
কোথায় আর সব
যাঁরা ধাবমান
যাঁরা পছেনওে নতেৃত্বে থাকে
যাঁরা ভয়রে মধ্যে জন্মগ্রহণ করে
তাঁরা অপক্ষোয় আছ,ে
তুমি ফরিে এসো,
ফরিে এসো সখোন থকেে
ফরিে এসো
আমার বাংলাদশে।

কারা সইে রাজহাঁস

ওরা সমাজকে হত্যা করে
পশেশিক্তি দয়ি,ে
টুকরো টুকরো করে
ধারালো অস্ত্র ও ছুরি দয়ি-ে
ওরা চায় রক্ত
ওদরে র্শাট-েকাপড়ে মখেে
মানুষকে দখোবে বল-ে
ওরা রক্ত দয়িে রাঙয়িে নয়ে জামা,
রক্তাক্ত, কলঙ্কতি, কাদামাখা;
অথচ কাদা নয়
এ এক মসৃণ যন্ত্রণা;
কণ্ঠনালী থকেে
এ যন্ত্রণা গড়য়িে পড়ে রক্তরে মতো
বীভৎসতার শুরু এখান থকে-ে
একটি মসৃণ চাপাতি
হত্যার জন্য
একটি দা-রামদা
ধারালো, চকচকে
এবং
ক্যামরোয় ছবি উঠতে থাকে
রক্ত ঝরার দৃশ্যরে-
ওরা চর্তুদকিে
একজন নচিে
অন্যরা তাকে ঘরিে
ঘুরতে থাকে চক্রাকার,ে
যন্ত্রণার রক্ত ঝরে ঝরে পড়ে
ওদরে ওপর-ে
কারা সইে রাজহাঁস?
ওরা কারা!

ছাড়পত্র

অপক্ষো একটি ছ’এর জন্য,
অপক্ষো একটি র্দীঘ সময়রে-
নষ্পিলক তাকয়িে থাকা।
একটি বলরে টক্ িশব্দ,
যদওি বোলার দ্যাখে
সবাই তার ছবি নচ্ছি-ে
ভারি ব্যাট দয়িে
বলটতিে হালকা আঘাত করে
ব্যাটসম্যান;
প্রভুর চোখ পড়ে তখনই
শষে মুর্হূতে ধরা পড়ে কশিোর,
আর তখনি বলটি পয়েে যায়
মাঠরে বাইরে যাবার ছাড়পত্র।
শ্রণেি

একজন অধঃপততি,
অন্যরা উচ্চতায়;
সকলইে অধঃপততি,
শুধু একজনই উচ্চতায়!

মৃত্যুর ভালোবাসা

সকলইে চলে যাবে
মৃত্যুকে ভালোবসে-ে
সযত্নে আগলে রাখে হৃদয়ে
জীবন অথবা মৃত্যু-
তারা অস্ত্র নয়িছেলি
মৃত্যুকে ভালোবসে-ে
খুন হলো একজন,
জীবন অথবা মৃত্যু
সযত্নে আগলে রাখে হৃদয়-ে
হাতে রড তুলে নয়ে
হত্যাকে আয়ত্তে আনত;ে
তাদরে সংকল্প ছলি
বশ্বিাসরে নতৈকিতায়।

চত্রৈমাস

একজন বৃদ্ধ
খুবই নঃিসঙ্গ,
অতীতরে রোমন্থন
চলমান পথে
চত্রৈ মাস-ে
ইতস্তত ঘোরাফরো,
শুধুমাত্র শষেরে অপক্ষো,
শুধুই একাকীত্ব,
যদওি একা নয়
যা সে আশা করছেলি
তা হবে
চত্রৈ মাস।ে

বাতঘির

র্দীঘ একটি বছররে শষে,
নতুন বছর শুরু-
অভ্যন্তরীণ সৌজন্য, কৌশল
নরিুত্তাপ স্বাধীনতা;
তারকামণ্ডতি।
এসো আমরা একসাথে চলি
প্রশান্ততি,ে
ক্ষপ্রিতায় নয়, অথচ বাঁয়,ে
কালরে গৌরবরে
সইে সব তরুণদরে বাতঘির হয়।ে

স্বপ্ন – ১

আমি প্রকৌশলী হতে চাই,
যা আমার শল্পিী মায়রে
র্কমরে শকেড়ে শক্তি যোগাব।ে
ডাক্তার হতে চাই,
যাতে আমার বাবা মৃত্যুর যন্ত্রণায়
কষ্ট না পান।
আমি মৃত্যুর প্রতমর্িূতি হতে চাই,
অসহনীয় জীবনবোধরে জন্য-ে
রাত্রি ও দনিরে পড়াশোনা,
অপক্ষো পরীক্ষার জন্যে
সত্যইি অসহনীয়!

স্বপ্ন – ২

আমার স্বপ্ন উদ্ভাবনী শল্পিী হওয়া,
বাবা-মায়রে ইচ্ছাও তাই-
স্বপ্ন একজন ডাক্তার হওয়া,
তাঁরা বললনে, এটা চমৎকার-
আমার স্বপ্ন উদ্ভাবনী শল্পিী হওয়া,
তাঁরা বললনে, এটা বস্মিয়কর!

প্রতবিাদ

এখনি সময় প্রতবিাদরে-
আমি জামায়াতকে নষিদ্ধি চাই।
আমার প্রতবিাদ
আর্শীবাদ হোক সকলরে-
আমি সকল শহীদরে পক্ষ থকেে
কাদরে মোল্লার
বচিাররে রায় দতিে চাই…

  • ত্বকীর এ কবতিাগুলো সম্ভবত মৃত্যুর দু-এক মাস আগে লখো।