259

স্ফুলঙ্গি হয়ে ছড়য়িে গলে

কামাল লোহানী

পশৈাচকি হংিস্রশক্তরি উন্মত্ততার বহঃিপ্রকাশ দখেি রাষ্ট্র,ে সমাজ,ে রাজনীততিে এমনকি সংস্কৃতি ক্ষত্রেওে। এই পশৈাচকিতা কখনও প্রকাশ্য,ে কখনও গোপন।ে সত্য ও সুন্দর- সমাজ আর নাগরকি জীবনে সন্ত্রাস ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে জীবন ও পরশিীলতি রুচবিোধকে নর্মিম নষ্ঠিুরতায় হত্যা কর।ে এমন হয়তো ঘটে অনকে ঘটনাই, কন্তিু যে ঘটনা আজ উল্লখে করছ,ি তা বস্তুতই সমাজ ও মানুষবরিোধী কুৎসতি ও ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী অপশক্তরি পশু চরত্রিরে ন্যাক্কারজনক বহঃিপ্রকাশ- নষ্ঠিুরতম নর্বিকিার হত্যা। কোল্ড-ব্লাডডে র্মাডার। এই হায়নো দলরে পরকিল্পতি হত্যাকাণ্ডরে শকিার এমন একটি শুচস্নিগ্ধি কশিোর, নাম যার ত্বকী, যে কবেল সত্যকে সাহসরে সাথে ভালোবসেে ঋদ্ধ হয়ছেলি জ্ঞানে ও রুচতিে এবং সংগঠনে ও আর্দশ।ে আর্দশ আর জ্ঞান তাকে দয়িছেলি বলষ্ঠিতা ও সংঘশক্তরি মহমিান্বতি চরত্রি। সৌর্ন্দযমন্ডতি ঐ নষ্পিাপ চহোরায় ক্রোধ ছলি আগ্নয়েগরিরি মতন, ফুটে উঠছলি অভ্যাসরে বরিুদ্ধে বদ্রিোহরে বপ্লৈবকি চতেনায়।
এমনই এক সত্যনষ্ঠি তরুণরে সামনে একদনি পথরোধ করে দাঁড়ালো প্রতহিংিসার প্রতবিন্ধকতা নয় নর্মিম-নৃশংস হত্যা। যখোনে নষ্ঠিুর পশৈাচকিতায় জীবনাবসান ঘটলো সাহসী-তরুণ ত্বকীর। জল্লাদরে দুটো হাত বুঝি তাকে হত্যা করলো সত্য ও বাস্তবকে প্রত্যাখ্যান করে রাজনতৈকি লালসাসক্তি প্রতহিংিসা পরায়ণতায়। কোমলমতি সুর্দশন এই তরুণরে বাবা যে সত্যনষ্ঠি প্রগত-িপুরুষ, তনিি অন্যায়রে বরিুদ্ধে বদ্রিোহ ঘোষণা করে সাধারণ মানুষরে পক্ষে দাঁড়য়িছেলিনে। নর্বিরিোধ মানুষটরি সংঘ-শক্তরি দক্ষতায় উপড়ে ফলেতে চয়েছেলিনে নষ্ট রাজনীতরি কলঙ্কতি অধ্যায়কে চরিতর।ে একটি পরবিার নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলটাকে ‘কাউলা’ করে ফলেছেলি বলে মনে করছেলিনে প্রায় সকলইে। ওদরে অলক্ষ্যওে যে তাদরে এই নৃশংস ধারা ও দূষতি রাজনীতি তাদরে পচেয়িে ধরছেলি, তা বুঝতে পারনেি ঐ দুষ্টচক্র। প্রতরিোধ দখো দলি প্রকাশ্যে এই শল্পি-বাণজ্যি নগরীর প্রথম মউিনসিপ্যিাল করপোরশেন নর্বিাচনে যখন ঐ রাজনীত-িঘনষ্ঠি পরবিাররে র্বতমান প্রজন্মরে কুলাঙ্গার এক জনবচ্ছিন্নি ব্যক্তরি নতুন করে জনপ্রয়িতার আসনে বসবার হায়নো-দৃষ্টি পড়ল। ঐ গণবরিোধী কুৎসতি ঘৃণ্য ব্যক্তত্বিকে প্রত্যাখ্যান করে জনগণরে নত্যিসহচর একজন প্রাক্তন পৌর চয়োরম্যানকে জনগণ গ্রহণ করলনে তাঁদরে প্রথম ময়ের হসিবে।ে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ বাস্তবকে অস্বীকার করে তোষণনীতি অব্যাহত রখে,ে বপিদে জনগণকে ছড়েে যাওয়া এক জননতো শামীম ওসমানকে ময়ের র্প্রাথী হসিবেে মনোনয়ন দয়িে জনসর্মথনে বলীয়ান ডা. আইভীকে বপিদে ফলোর চষ্টো করছেলি। তখনই সাধারণ মানুষরে সাহসে ভর করে যে নাগরকি সত্ত¡ার আবর্ভিাব ঘটছেলি- তা ছলি অপ্রতরিোধ্য। আর তাকইে সংঘ-শক্ততিে পরণিত করলনে শহররে খ্যাতমিান সৎ মানুষ, লখেক- সাংস্কৃতকি ব্যক্তত্বি রফউির রাব্ব।ি নাগরকি সংহতরি প্রধান হলনে তনিইি। তাঁর দক্ষ সাংগঠনকি যোগ্যতায় ডা. আইভী নজিরে বপিুল জনপ্রয়িতাকে নর্ভিীক শক্ততিে পরণিত করতে পরেছেলিনে বলইে সুর্দীঘকালরে রাজনীতকি পরবিাররে প্রধান খান সাহবে ওসমানরে পৌত্র এবং ভাষা সংগ্রামী রাজনীতকি শামসুজ্জোহার পুত্র শামীম ওসমানকে ক্ষমতাসীন দলরে র্প্রাথী হয়ইে পরাজতি হতে হয়ছেলি। এ আইভীর বজিয় ছলি না, ছলি জনগণরে সম্প্রীতি ও শান্তকিামনার বজিয়। জনগণ নর্ভিয়ে শামীম সন্ত্রাসরে আশঙ্কাকে উড়য়িে দয়িে আইভীকইে প্রথম ময়ের পদে অধষ্ঠিতি করে শামীমরে পশৈাচকিতার আগুনে যনে তলে ঢলেে দলিনে। শামীম তলে-েবগেুনে জ্বলতে থাকলনে। যে নতো তার জনতাকে ফলেে পালয়িে নজিে বাঁচতে যায়, এ পরাজয় তাকে দগ্ধ করল বট;ে কন্তিু সে আরো যনে দ্বগিুণ ক্রোধে ফটেে পড়তে দখেল মানুষ। প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিার সাথে বজিয়ী আইভী দখো করতে গলেে যে দৃশ্যরে মুখোমুখি তনিি হলনে, তা ছলি নতিান্তই অনাকাক্সক্ষিত, আইভী হয়তো ভাবতওে পারনেনি প্রধানমন্ত্রী সর্ন্দশনে গয়িে প্রতদ্বি›দ্বী-পরাজতি শামীম ওসমানকে দখেবনে। প্রধানমন্ত্রী দু’জনকে মলিয়িে দবোর ‘অঙ্গীকার বাক্য’ উচ্চারণ করলনে এবং দু’জনকইে একত্রে কাজ করার আদশে দলিনে। হায়রে র্দুভাগা দশে, রাম তো উল্টো বুঝলো। গণভবন থকেে ফরিইে শামীম ওসমান নানা কৌশল ও চক্রান্ত করতে শুরু করে ও শক্তি প্রর্দশন করার ফন্দি আটলনে এবং করলনেও তাই। প্রধানমন্ত্রী কি বললনে- ঘটতে শুরু হলো ক?ি
এই যে অভাবতির্পূণ বজিয় ডা. আইভীর, এটাই শামীম ওসমান চক্রকে ক্রোধে উন্মাদ করে তুললো। তারপর থকেে শুধু নতুন ময়েরই নয়, যে অপরাজয়ে গণশক্তি আইভীকে যোগ্যতা ও দক্ষতা এবং জনপ্রয়িতার বচিারে বজিয়ী করছেলি; তার পছেনে ছলি নগরবাসীর অদম্য উৎসাহ এবং অন্তরঙ্গ ভালোবাসা। আর ভালোবাসাকে যুথবদ্ধ শক্ততিে পরণিত করছেলিনে সাহসী-সংগঠক রফউির রাব্বরি নতেৃত্ব।ে সুতরাং সন্ত্রাসমুক্ত নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলার যে অপ্রতরিোধ্য গণশক্ত,ি তার প্রত্যক্ষ নতেৃত্বে হয়ে উঠছেলি সন্ত্রাসরে র্টাগটে। গণসংস্কৃতরি সহযোদ্ধা, প্রগতশিীল মন-মানসকিতার দৃঢ়প্রত্যয়ী বলষ্ঠি সংগঠক রাব্বি চক্ষুশূল হয়ে উঠলনে শামীম ওসমান চক্ররে। হয়তো ভবেছেলি পশিাচ-শক্ত,ি জনসম্পৃক্ততার কারণে সরাসরি তাঁকে ‘হত্যা’ না করে এমন একটি ঘটনা ঘটাতে হব,ে যার ফলে রফউির রাব্বি হতাশাগ্রস্ত হবে এবং ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বসে পড়ব।ে একে তো সন্ত্রাসী রাজনতৈকি চক্র তার ওপর ক্ষমতার অংশীদার, ফলে সবকছিুকইে করতলগতভাবে শামীম ওসমানবাহনিী তাই বুঝি সদ্ধিান্ত নয়িছেলি- প্রত্যক্ষ লড়াইয়ে যাওয়া যখন যাবে না, তখন কৌশল,ে কুশলী হাতে হত্যার মতলব আঁটলো। পুত্র কশৈোর উর্ত্তীণ, বুদ্ধদিীপ্ত, র্ঈষণীয় চরত্রি নয়িে গড়ে উঠছে অজাতশত্রæ প্রয়ির্দশন ত্বকী। পতিামাতার প্রথম সন্তান, ছোট্ট বয়সইে বদ্যিাভ্যাসে গরীয়ান। শাণতি চতেনায় আর্দশ বাবার যোগ্য অনুসারী। তাকইে যদি সরয়িে দয়ো যায় তবে রাব্বকিে শায়স্তো করতে পারব।ে হায়নোরা তাই লক্ষ্য র্অজনে তাক করে রইলো সুযোগরে। অবশষেে একদনি ঝাঁপয়িে পড়ল শুচসিদ্ধি নষ্পিাপ কশিোর ত্বকীর ওপর। ধরে নয়িে গলে বহুল আলোচতি ‘র্টচার সলে’-এ। প্রশাসন এবং নরিাপত্তারক্ষীদরে পরোক্ষ মদদে গড়ে ওঠা নপিীড়ন কক্ষটরি প্রতষ্ঠিাতা শামীম ওসমানরে ভাই নাসমি ওসমানরে ছলেে আজমীরী ওসমান। র্অথাৎ প্রজন্ম পরম্পরায় চালাতে সংগঠতি এই চক্র। ত্বকীকে তারা অপহরণ ও হত্যা করছেে চক্রনতোর অহংবোধকে রক্ষার জন্য, ক্ষমতার দাপট দখোবার জন্য।ে কন্তিু হে চক্রপতি শামীম ওসমান, দখেছে কশিোর ত্বকীর কী প্রবল শক্ত!ি তোমাদরে নৃশংসতা জনগণমন্ত্রকে ধ্বংস করতে পারনে,ি বরঞ্চ ত্বকীকে স্মরণ করে জগেে উঠছেনে নারায়ণগঞ্জরে আপামর জনগণ। তাঁরা ত্বকী হত্যার প্রতশিোধ চান। শুধু কি তাই? দশেরে প্রত্যকেটি জলো-উপজলো, নগর-বন্দররে সচতেন থকেে সাধারণ মানুষ র্পযন্ত সকলইে এই মাসুম ত্বকী হত্যায় ক্ষুব্ধ। ক্রোধে ফটেে পড়তে চান। কন্তিু আমরা তো সইে জাত,ি জনগোষ্ঠী এবং রক্তাক্ত বাংলার আপসহীন মানুষ। আমাদরে ক্ষোভ আছ,ে আছে ক্রোধ, সে একদনি বস্ফিোরণ হয়ে বদ্রিোহরে আগুন ছড়য়িে দবেইে। আমরা তো অশান্তি চাই না। তাই অপক্ষোয় আছি আইনরে। দখেি না কি হয়। তবে প্রতীক্ষারও সীমা আছ।ে নপিীড়তি মানুষ কন্তিু অন্যায়কে দু’পায়ে দলে এগয়িে যায়- এ প্রমাণ বাংলাদশেইে আছ।ে আমরা তো জান,ি অন্যায়রে বরিুদ্ধে বদ্রিোহ ন্যায়সঙ্গত।
তানভীর মুহাম্মদ ত্বকীর বয়স ছলি সতরেো। ‘এ’-লভেলে পরীক্ষা দয়িছেলি। ফল বরেুবার আগইে ২০১৩-এর ৬ র্মাচরে বকিলেে সে নখিােঁজ হলো মানে ঐ দুষ্ট খুনি চক্র তাকে রাস্তা থকেে তুলে নয়িে গলে। আগইে বলছেি তার বাবার সাহসী পদচারণাকে স্তব্ধ করে দবোর জন্য, এই শহররে দুষ্টচক্ররে বরিুদ্ধে মানুষকে সজাগ করে তোলার লড়াইয়ে নতেৃত্ব প্রদানকারী সাংস্কৃতকি ব্যক্তত্বি রফউির রাব্বরি মনোবল ভঙেে দয়োর জন্যই এই কুৎসতি জঘন্য হত্যাকাÐ সংঘটনরে চক্রান্ত করছেলি। র্স্বাথবাদী-ক্ষমতালোলুপ এই চক্রই ত্বকীকে নয়িে যায় আলোচতি অথচ পুলশিরে ধরাছােঁয়ার বাইররে ‘আজমীরী র্টচার সলে’-এ নয়িে তার ওপর চালয়িছেলি অকথ্য নর্যিাতন। মনে হয় নপিীড়নরে নৃশংসতার প্রমাণ মলিছেে ময়না তদন্ত রপর্িোট।ে তাকে মাথায় আঘাত করছেলি র্দুবৃত্তরা তনি দকি থকেে এবং তাতওে তাদরে সাধ মটেনেি বলে গলা টপি,ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করছেে ত্বকীক।ে চোখ উপড়ে ফলেছেলি এবং দহেরে অংশবশিষে থঁেতলে ফলেছেলি। কী নর্মিম-নষ্ঠিুর পাশবকি! পাঠক, একবার ভবেে দখেুন ঐ কশিোর প্রয়ির্দশন ত্বকীকে এমন কসাইয়রে নষ্ঠিুরতায় হত্যা যারা করছেলি কংিবা হত্যার নর্দিশে দয়িছেলি; তারা আজও বপেরোয়াভাবে ঘুরে বড়োচ্ছে এবং তাদরে জল্লাদি হত্যাকাÐ চালয়িে যাচ্ছ।ে এই নচ্ছার নরকীটগুলোকে গ্রফেতাররে দাবি সবার; তবু তারা গ্রফেতার হয় না। হলওে ছাড়া পয়েে যায়। শহররে পুলশি প্রশাসনরে সন্দহেজনক র্কাযক্রম মানুষকে বক্ষিুব্ধ করে তুলছেে এবং ধর্যৈরে বাঁধ ভঙেে ফলেছে।ে এমন সময় খবর এলো আজমীরী ওসমানরে অফসিে র্‘যা ব’ অভযিান চালয়িে সইে বহুল আলোচতি হত্যা-নপিীড়ন ঘটনার উৎস- র্টচার সলে থকেে রক্তাক্ত জন্সি, নাইলনরে দড়সিহ নানা কাজে ব্যবহৃত জনিসিপত্র আটক করছে,ে ঘররে দয়োলে গুলরি দাগ পয়েছেে অনকেগুলো। খবর প্রচারতি হবার পরও ঐ নপিীড়ন কক্ষ থকেে নাকি গুলরি শব্দ শোনা গছে।ে র্অথাৎর্ যা বরে অভযিানরে পরও চলছেে নর্যিাতন। পুলশিকে শুনছেি জানানো হয়ছে,ে কন্তিু তারা বলছ,ে স্থানীয় লোকজন মুখ খুলছনে না বলে তারা কছিু করতে পারছে না। স্থানীয় ওসরি এই তো সুবচন! হায়রে নরিাপত্তা রক্ষাকারী পুলশিবাহনিী, ত্বকী হত্যার পর থকেে যে ভ‚মকিা পালন করছ,ে তা কবেল ন্যাক্কারজনকই নয়, তাদরে শক্তি সন্ত্রাসীচক্ররে কাছে ‘সর্মপতি’ বলইে প্রমাণ দচ্ছি।ে জনগণরে অভযিোগ ও দাবরি কোনো তোয়াক্কাই করছে না। সন্ত্রাস কংিবা সন্ত্রাসীকে তাদরে এত ভয় অথবা সমীহ করা কনে?
রাজনীতকিে আশ্রয় করে যারা এলাকায়, সমাজে এমনকি রাষ্ট্রকাঠামোতে এমন দাপট ও ক্ষমতার দম্ভ এবং র্দৌদ্দÐ প্রতাপ দখেয়িে জনগণকে আতঙ্কগ্রস্ত করে নজিদেরে র্স্বাথ উদ্ধার ও উদ্দশ্যে হাসলি করে চলছেে তাদরে পুলশি কংিবার্ যা ব বা অন্যকোন নরিাপত্তা রক্ষার নামে গঠতি প্রচলতি বাহনিী বা লোকবল কনে আটক করতে পারছে না? এ কি মানবকল্যাণ বাদে রাজনতৈকি শক্তরি কাছে আত্মসর্মপণরে নাকি পায়রবী করারই নকিৃষ্ট নমুনা?
প্রশাসন যখোনে র্ব্যথ হয়, সখোনে জনসাধারণ ভরসা করনে বচিারালয়ক।ে বচিারালয় আজকাল মাঝে মধ্যে সামাজকি বা রাষ্ট্রীয় কোন কোন বষিয় নয়িে নর্দিশে জারি কর।ে তাতে কাজ হয় না বলবো না, অন্ততঃ একটু ভয় পায়। সইে বচিারালয় কনে এমন সন্ত্রাসী হামলা, নরিাপরাধ তরুণ কংিবা পথচারী হত্যায় রঅ্যািক্ট করে না? অবশ্য বচিারালয়ও-বা কি করব?ে সরকারই তো দায়ী এ জন্য।ে আর সইে সরকারে আসীন দলরে নতো-র্কমীরা কনে তোয়াক্কা করব?ে তাইতো জনগণকইে সংঘ-শক্তি নয়িে এগয়িে আসতে হয়। ত্বকী হত্যা সাধারণ অপহরণ ও হত্যাকাÐ নয়, এটি একটি পরকিল্পতি সন্ত্রাস। যার মাধ্যমে জনগণরে সংগঠতি শক্তরি কন্দ্রেকইে আঘাত করার অপচষ্টো করছে;ে কন্তিু এ ক্ষত্রেে এই চক্র সফল হতে পারনেি জনগণরে নতেৃত্বরে জন্য এবং তারই পুরোভাগে ত্বকীর বাবা রফউির রাব্ব।ি সে কারণইে ত্বকীকে র্টাগটে করে রাব্বকিে ‘দমন’, ‘র্দুবল’ করতে অপচষ্টো করছেলি। তাই বোধহয় ক্ষমতা কংিবা প্রশাসন অথবা নরিাপত্তা রক্ষক- সমাজসবেকরা উদ্বগ্নি হতে পারছে না, যথাসময়ে এবং প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দয়ি।ে হায়রে কপাল! কপাল-েভাগ্যে যদওি বশ্বিাস করি না, তবু ভাবছি এ ‘কপাল’ ভাঙবে কব?ে আর কতদনি এমন অমতি সম্ভাবনাময় জীবন গড়ে ওঠার আগইে ঝরে যাবে ঐ সন্ত্রাসীদরে কারণ।ে … না ওদরে ভয় করলে চলবে না। যমেন করে উচ্চকতি হয়ছেে সাহসী-সংগঠক প্রতবিাদী ত্বকী হত্যার বরিুদ্ধে অযুত কণ্ঠধ্বনতি;ে নারায়ণগঞ্জ বন্দরনগরী হয়ে উঠছেে অগ্নর্গিভ ত্বকী হত্যার চক্ররে বরিুদ্ধ।ে নরিবচ্ছন্নিভাবে তাঁরা সংগঠতি সংগ্রামকে চালয়িে যাচ্ছনে। দশেব্যাপী প্রতবিাদ তুলছেে সৎ জীবনবাদী মানুষ। কবেল দশেে কনে বদিশেরে মাটতিওে জমছেে ঘৃণা, কলঙ্কতি-পরকিল্পতি এ রাজনতৈকি হত্যাকাÐে ঝরে যাওয়া অমতি সম্ভাবনা ঐ ত্বকীর প্রতি জানাচ্ছে শ্রদ্ধা আর যুথবদ্ধভাবে করছনে প্রতবিাদ। সত্য ও সুন্দররে পূজারী, জনগণরে সুন্দর ললতি জীবনরে কনে এমন নৃশংস-নষ্ঠিুরতার শকিার হতে হব,ে এ প্রশ্ন জগেছেে প্রাণে প্রাণ;ে কন্তিু দশে পরচিালনায় ক্ষমতাসীন সরকার কংিবা প্রশাসনে নইে কোন তাপ-উত্তাপ। চলমান মহাজটো অথবা ১৪ দলীয় সরকার প্রধান দল আওয়ামী লীগ এবং তাদরে সংগঠন প্রধান ও দশেরে প্রধানমন্ত্রী- যনিি তাঁর সহানুভ‚তি জানাবার মতন কোনো হত্যা, অপঘাতে মৃত্যু ইত্যাদি হলে সখোনে প্রধান নজিে হাজরি হয়ে যান; বদেনাহত পরবিার এবং পরবিাররে সদস্যদরে সান্ত¡নাই নয় শুধু বুকে জড়য়িে ধরে কাঁদনেও; সইে আবগেময়ী সরকারকে কনে এই র্মমান্তকি ত্বকীর পরবিাররে প্রতি কোন বদেনা পতেে কংিবা আবগেতাড়তি হয়ওে কোন সহানুভ‚তি প্রর্দশন করতে দখেি না। বরঞ্চ প্রধানমন্ত্রী হয়ে এই হত্যাকাÐরে বচিাররে যে প্রতশ্রিæতি দয়িছেলিনে, তার কী হলো প্রধানমন্ত্রী! কনে আপনি সে কথা রক্ষা করতে পারছনে না? দশেরে প্রধানমন্ত্রী এবং মুক্তযিুদ্ধরে প্রধান দল বলে দাবদিার রাজনতৈকি সংগঠনরে প্রধান হয়ে তনিি কি করে এমন এক কশিোর তরুণ অদম্য প্রতভিার নর্মিম হত্যার নাটরেগুরু এবং তার সাঙ্গপাঙ্গকে চনোজানা সত্ত¡েও গ্রফেতার করছনে না। ত্বকীর বাবা তো সুনর্দিষ্টিভাবে হত্যাকারীদরে নামোল্লখে করইে তাদরে গ্রফেতাররে দাবি জানয়িছেনে। কবেল রাব্বি নন, তার সাথে নারায়ণগঞ্জবাসী আপামর জনসাধারণ এমন কি খোদ আওয়ামী লীগরেও নতো-র্কমীরা ক্ষুব্ধ এবং ক্রুদ্ধ। দলীয় প্রধান এবং রাষ্ট্রীয় প্রশাসনরে প্রধান নর্বিাহী- প্রধানমন্ত্রী- আশ্বাস দয়িছেলিনে, ত্বকী হত্যার বচিার আজ না হোক কাল হব,ে না হলে ছয় মাস পরে হব।ে কন্তিু তারপরে ছয় মাস তো গছেইে। দশেরে প্রধানমন্ত্রীকে বল,ি আপনি সরকার প্রধান, আপনার কথার মূল্য আছ,ে এটাই তো সবার বশ্বিাস। আজ র্পযন্ত কোনকছিুই করার হুকুম দনেন।ি অথচ বছর পার হয়ে গলে। তবে কি ভাবতে হব-ে আপনি যে কথা দয়িছেলিনে তা পূরণ হবার নয়? অথচ আপনাকে অনকেক্ষত্রেইে দখেছে,ি ত্বরতি ব্যবস্থা নয়িছেনে। পরবিারে গয়িে সান্ত¡না দয়িে এসছেনে, তারপর আপনার যা নর্দিশে দবোর, সটো দয়িছেনে; কন্তিু ত্বকীর মতন এমন চমৎকার, মধোবী, প্রতভিাদীপ্ত, সুর্দশন কশিোরকে হত্যা করছেে যে সন্ত্রাসীচক্র, তারা কনে আপনার সান্নধ্যি নয় শুধু প্রশ্রয়ও পাচ্ছ,ে কনে? নারায়ণগঞ্জবাসীই নয় কবেল, দশে তো বটইে বদিশেওে সচতেন জনগোষ্ঠী জাননে, কারা এই পশৈাচকি হত্যাকাÐরে নায়ক। কন্তিু দশেে কনে তাকে এবং তার চক্রকে এমন প্রশ্রয় দচ্ছি।ে আর সইে দাপটে আজও তাদরে অপর্কম থামনে,ি চলছে পুনরুদ্যম,ে আওয়ামী লীগে নাকি তাকে লাগবইে। অথচ র্দুযােগরে দনিে এই ‘রাজনতৈকি নতো’ বলে পরচিতি ব্যক্তি তার দলীয় র্কমী-সদস্যদরে ফলেে রখেে বদিশেে গয়িে গা-ঢাকা দয়িছেলি এবং ট্রাক্টর চালয়িে জীবন নর্বিাহ করছেলি। সুযোগ বুঝে দশেে ফরিে আবার সইে পুরনো সন্ত্রাসরে পথ ধরইে চলছে।ে ফলে আওয়ামী নতো-র্কমীদরে মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ রয়ছে,ে কউে কউে নষ্ক্রিয়ি হয়ে গছেনে, কউে বা সংগঠনই ছড়েে দয়িছেনে। অদ্ভুত ব্যাপার, এবাররে (২০১৪ সালরে ৫ জানুয়ার)ি নর্বিাচনে তাকইে মনোনয়ন দলিনে দলীয় প্রধান। কোনো র্প্রাথী না থাকায় সে তো ‘অটো-এমপ’ি হয়ে গছেনে। প্রতদ্বি›দ্বী থাকলে কি হতো, সে কথা এখন বলে লাভ নইে। সইে ‘অটো-এমপ’ি তো তার যে রূপ, সে রূপ নয়িইে নতুন দাপটে আত্মপ্রকাশ করছ।ে
সমাজে এমন কছিু কুলাঙ্গাররে জন্ম হয়, যারা সমাজটাকে কলুষতি-কলঙ্কতিই করে না; তারা রাজনীতরি ছদ্মাবরণে দশে ও দশেবাসীকে অবমাননা করইে ক্ষান্ত হয় না; তারা দলীয় চÐনীতরি আশ্রয়ে নজিদেরে দৌরাত্ম্য প্রতষ্ঠিা কর।ে দাপট দখেয়িে জনগণ বা অন্যায়কে ঘৃণা করা মানুষদরে বরিুদ্ধে ত্রাসরে রাজত্ব কায়মে করে নজিদেরে ক্ষমতা বা র্কতৃত্ব জাহরি করতে চায়। সরকার দলরে র্কমী-সংগঠক বা নতো বলে পরচিয় দয়ে। আবার রাষ্ট্র ও ক্ষমতাসীন বলয়রে বলে তাকে বা তাদরেকে কছিু বলতে চায় না অথবা চাকররি ভয়ে ভীত থাক।ে সাহস দখোতে পারে না সত্যরে পক্ষ,ে কারণ সত্য বড় কঠনি, ভীতসন্ত্রস্ত সকলইে তার সামন।ে তাই এরা ধরা-ছােঁয়ার বাইরে থাকে এবং নজিদেরে ‘বীরপুরুষ’ বশেে কসরত দখোতে থাক।ে এদরে বরিুদ্ধে কউে দাঁড়াতে পারে না, যদি দাঁড়ায় কউে, তাকওে খতম করে দতিে এরা দ্বধিা করে না। রাষ্ট্র এখানে পরোক্ষ পালক হয়ে যায়। তখনই এদরে ঔদ্ধত্য ও র্স্পধা বড়েে যায় অস্বাভাবকি। ধরাকে সরাজ্ঞান কর।ে সত্য-সুন্দররে কশিোর পূজারী ত্বকীর হত্যাকাÐরে নৃশংসতা এবং অপরাধীদরে ধরতে না পারা তো তাই চোখে আঙুল দয়িে দখেয়িে দচ্ছি।ে এখানে রাষ্ট্র, সরকার, প্রশাসন এমনকি দলও র্ব্যথ সৎ ও সঠকি পদক্ষপে নতি।ে তাহলে কি র্ব্যথ বরং বলি ইচ্ছাকৃত র্ব্যথতা, উদ্দশ্যেমূলক অনীহা এ নৃশংসতাকে বচিার না কর,ে অপরাধী ও তার সঙ্গচক্রকে গ্রফেতার করতে পারনেি য,ে তা উৎকটভাবে প্রকাশ পয়েছে।ে আমাদরে দশেরে পুলশি প্রশাসন কি এতই ‘নর্ষ্কিমা’ যে এদরে ধরতে তো পারলই না, সরকাররে আরকেটি নরিাপত্তারক্ষী সংস্থা তদন্ত প্রতবিদেন সাবমটি করে অপরাধীদরে নামোল্লখেও করছে।ে তাতে পুলশিরে চোখ কাকরে মতন হয়ে গছে।ে
যে দশে জন্মই নয়িছেে বপিুল রক্ত খরচ,ে তাকে তো বোধহীন, মধোহীন করে ফলোর নর্মিম পরকিল্পনায় দশেবরণ্যে বুদ্ধজিীবি (শব্দটি আজকরে পরপ্রিক্ষেতিে বচিার করবে না পাঠক, অনুরোধ রইলো তাহলে তাঁদরে অমূল্য ত্যাগরে অবমূল্যায়ন ও পÐতি সজ্জনদরে অবমাননা করা হব।ে) শল্পিী, সাহত্যিকি, শক্ষিক, সাংবাদকি, চকিৎিসক, প্রকৌশলীদরে হত্যা করছেলি পাকস্তিান হানাদার বাহনিীর জল্লাদবাহনিী- আল-বদর, আল-শামস, রাজাকার। আর আজ আর্দশবোধে উদ্বুদ্ধ তীক্ষè মনন ও মধোর সংমশ্রিণে গড়-েওঠা প্রবল প্রাণরে কশিোর ত্বকী কি তাহলে এমনি কোন পরকিল্পনার শকিার, যার কোন বচিার হবে না; যতদনি কায়মেি র্স্বাথবাদী জাতীয়তাবাদী নামে কথতি সরকার কংিবা প্রশাসন দখলদার সইে পাকস্তিান বাহনিীরই প্রতোত্মাসদৃশই প্রতীয়মান হচ্ছে না?
আমরা যারা এসব নষ্ঠিুর প্রতহিংিসার বরিুদ্ধে সকল সময়ে কথা বলছ,ি এমনই ড্রাগনরে বষিনঃিশ্বাসরে বরিুদ্ধে রুখে দাঁড়য়িছে,ি তারা কি শহীদরে রক্তঋণ এবং হন্তারক বাহনিীকে সর্ম্পূণভাবে নর্বিাসতি করতে পরেছে?ি আজও কনে সইে চক্রান্তরে ধারাবাহকিতায় নতুন প্রজন্মরে মধো ও মননকে শূন্য করার এ অপপ্রয়াস?
নারায়ণগঞ্জবাসী সচতেন মানুষ, দশেপ্রমেকি নগরবাসী ত্বকী এবং ত্বকীর মতন আরো বহু কশিোর-যুবককে হত্যাকারী এই চক্রকে প্রতরিোধ করার সাহস পয়েছেে সকল স্তররে বাসন্দিা- যারা নারায়ণগঞ্জরে শ্রমকি আন্দোলন, ভাষা সংগ্রাম, রাজনতৈকি উন্মষে, সাংস্কৃতি সচতেনতার ঐতহ্যি ধারণ করনে, তাঁরাই আজ এমন হত্যার বরিুদ্ধে রুখে দাঁড়য়িছেনে অকপট।ে কারণ প্রত্যয়দৃঢ় প্রতভিাদীপ্ত এই তরুণ এবং তরুণরাই তো গণজাগরণ সৃষ্টি করতে পার,ে শাহবাগরে প্রজন্ম চত্বরতো নপিীড়ক সকলরেই বরিুদ্ধে বচিাররে ঘোষণা দয়িছে।ে ত্বকী ছলি এই জাগ্রত তারুণ্যরে কশিোর সচতেন সদস্য।
তাই তো মধো হননরে বরিুদ্ধে জগেে ওঠা তারুণ্য উদ্দীপ্ত করছেলি মনুষ্যজাতরি সকলকইে, কি বৃদ্ধ কি শশিু কে না এসছেলি শাহবারে হত্যার বরিুদ্ধে প্রতবিাদরে বক্ষিুব্ধ জনসমুদ্র?ে তাই তো আর্দশচন্তিার তরুণ প্রতীক ত্বকী লখিছেলি-
হৃদয়ে আজ নব বসন্তরে গান
পাখরি ডাকরে সাথে ধ্বনতি হচ্ছে
শাহবাগরে শ্লোগান-
অথবা
ফুলরে মতন দৃশ্যমান
রক্তমাখা রাজীবরে চোখ সবুজ পাতার সাথে
দৃশ্য জড়ায় লাল-সবুজরে পতাকা।
যনে বলে ওঠে
এই তো স্বদশে
লাল-সবুজরে বাস যখোনে
প্রকৃতি ও সংগ্রাম।ে
উপলব্ধি ছলি ত্বকীর এমনই। কাকে হত্যা করছেে ঐ নরখাদকরে দল? ওর প্রত্যকেটি কবতিা ইংরজেি কংিবা বাংলায়, জীবনরে কথা বল।ে কাব্যে মৃত্যুর প্রতি ঘৃণা প্রকাশ কর।ে ত্বকী বদ্রিোহ করে আর্দশবরিোধী নরপশিাচদরে বরিুদ্ধ।ে তাই তো ত্বকী তার কচি হাতে কোমল মনরে কঠনি প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলে তার ‘প্রত্যার্বতন’ কবতিায়-
আরও একবার আমি মানুষ হয়ে মরব
উত্থতি হতে নষ্কিলঙ্ক ফরেশেতাদরে পাশে
তবে তা থকেে উন্নীত হতে হবে আমাক.ে..
কী অসাধারণ উপলব্ধি ত্বকীর- লখিছেে ‘স্বপ্ন’ কবতিায়-
আমাদরে স্বপ্ন
মানুষ হওয়া-
দু’বলো খাওয়াই তো
নয় সব।
আছে মানুষ হয়ে
চলার সাধ
সমান অধকিার
জ্ঞানে পথ চলার।
প্রশ্ন যদি করি ত্বকী কনে লখিছেলি,ে ‘একঝাঁক কুকুর’ কবতিা এবং পশুদরে এমন চরত্রি কথন মাত্র ক’টি শব্দে কী প্রকটভাবে ফুটে উঠছেে তোমাকে হত্যার পর!
একঝাঁক কুকুর
একটা কুকুর
র্গজন করে ওঠে
একঝাঁক কুকুর
দৌড়ে এলো কাছে
দখেল একটা শকিার
ঝাঁপয়িে পড়ল
তার কাঁধে
শষে করে দলি তার
… প্রাণ।
এমন উপলব্ধি মধোবী কশিোর ত্বকী তো এমনভিাবে হত্যা হয়ছে।ে যারা ঝাঁপয়িে পড়ছেলি তারা মাথার তনিদকি থকেে আঘাত করছেলি, তাতওে প্রতহিংিসা মটেনে,ি তাই গলা টপিে হত্যা করছে।ে চোখ উপড়ে ফলেছে।ে কশিোর ত্বকীর মধ্যভাগরে একটি অঙ্গ থঁেতলে দয়িছেলি। এ কোন হত্যা? হত্যাকারী পশিাচরে দল তার দহেটাকে ছুঁড়ে ফলেে দয়িছেলি শীতলক্ষ্যার জল।ে কী লোমর্হষক, হৃদয়বদিারক সে দৃশ্য, আমি কল্পনাও করতে পারছি না। এমন র্বণনায় গা শউিরে ওঠে না, ক্রোধে জ্বলে ওঠে চোখ। প্রাণে জ্বলে প্রতশিোধরে আগুন। এ প্রতশিোধ নয়োর কথা তো রাষ্ট্ররে, ব্যক্তরি নয়। আমরা তো জনগণ, আইন ঐ পশিাচদরে মতন হাতে তুলে নতিে চাই না, নইে না কন্তিু জানে তো নপিীড়ক শাসক-শোষকরো, বাংলার মাটি বীর প্রসবনিী। সংগ্রাম-সংক্ষুব্ধ এই বাংলা এমনি মৃত্যু-হত্যার প্রতশিোধ একদনি নবেইে। ক্ষমতার দাপট যখোনে ঔদ্ধত্য প্রর্দশন কর,ে সখোনে অবধারতি যনে সমাপ্তি অহঙ্কাররে।
নারায়ণগঞ্জরে মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, নগরবাসী সব মানুষ কী অধীর আগ্রহইে-না মনটাকে কঠনি বাঁধনে বঁেধে খুঁজছলি তানভীর মোহাম্মদ ত্বকীক।ে পলে যখন প্রয়ি ঐ শাশ্বত সুন্দরকে তখন চোখে জল সবার। তারপর জমলো ঘৃণা আর ক্রোধ ফটেে পড়লো দশেময়। দশেরে গÐি ছাড়য়িে বদিশেওে ক্ষুব্ধপ্রাণরে বহর্প্রিকাশ ঘটলো।
কঁেদছেলিনে কনিা ত্বকীর মা, জন্মদায়নিী, জানি না। বাকহীন বোবা কান্নায় কি তনিি পাথর হয়ে গয়িছেলিনে? বাবা রফউির রাব্ব,ি প্রচÐ দৃঢ়চত্তি সংগ্রামী মানুষ, চোখে তাঁর জল নইে আছে সমুদ্র-বক্ষিুব্ধ ক্রোধ, যা নয়িে আজও তনিি তাঁর সহযোদ্ধা তাবৎ নারায়ণগঞ্জবাসীর সাথে লড়ে চলছেনে, এই হত্যার বচিার চয়ে।ে তবে কাঁদছে মানুষ, গঞ্জরে লোকজন, গাছরে পাখ,ি বনরে পশুও। শীতলক্ষ্যাও কাঁদছে ত্বকীর রক্তে রঞ্জতি লালজল ফলে।ে প্রকৃতরি কান্না আর স্বজনরে সংগ্রাম কি পৌঁছবে না প্রহরাধীন চারদয়োলরে অচলায়তনরে রাজা-রানীদরে হৃদয়?ে

লখেক : সভাপত,ি বাংলাদশে উদীচী শল্পিী গোষ্ঠী, কন্দ্রেীয় সংসদ