203

ত্বকীর লখো : অপলক দখো

মফদিুল হক

বড় বড় দুই চোখ মলেে তাকয়িে আছে ত্বকী, পোশাকি নাম তানভীর মুহাম্মদ, এই পৃথবিীর জল-মাট-িহাওয়ায় বড় হয়ে ওঠার স্বপ্ন তার চর্‚ণ-বচির্‚ণ হয়ে গয়িছেলি ঘাতকরে নষ্ঠিুর আঘাত,ে মাত্র সতরেো বছর বয়স।ে প্রয়াতজনরে চোখরে পাতা টনেে দয়ে নকিটজনরো, যার চোখে আর দৃষ্টি নইে, সে যনে অপলক তাকয়িে থকেে জীবতিদরে বদেনা ও পীড়ন আরো বাড়য়িে না তোল,ে সজেন্যই এমন রীতি অনুসৃত হয়। ত্বকীর মৃত্যু হয়ছে,ে অথচ তার চোখরে পাতা রয়ে যায় অমুদতি, বস্ফিারতি চোখে আমাদরে দকিে চয়েে থাকে স,ে এই চাওয়া থকেে ত্বকীর যনে কোনো বরিাম নইে। স্বাভাবকি মৃত্যু হয়নি তানভীর মুহাম্মদ ত্বকীর, সারাদশেরে মানুষ জানে কী ঘটছেলি এই কশিোররে জীবন,ে পড়ন্ত বকিলেে নারায়ণগঞ্জরে শায়স্তো খাঁ সড়করে বাসভবন থকেে সে বরে হয়ছেলি সুধীজন পাঠাগারে যাবে বল,ে এ-লভেলে প্রথম র্পবরে পরীক্ষা শষেে এখন অবসররে কাল, অভ্যাসবশত পঠন-পাঠনে সময় কাটাতে ত্বকী আনন্দ পায় বশে।ি এদকি দয়িে সে কছিুটা ব্যতক্রিমী, ব্যতক্রিমী তবে খুব আলাদা কউে নয়, আর সব কশিোররে মতো স-েও স্বপ্ন-তাড়তি, সইে স্বপ্নে নজিকেে বকিশতি করবার পাশাপাশি থাকে আপনজন এবং আপন সমাজ ও স্বদশে নয়িে বকিশতি হওয়ার আকাক্সক্ষা। ত্বকীর আর সুধীজন পাঠাগারে পৗেঁছানো হয় না, পড়ন্ত সইে বকিলে হয়ে ওঠে দু’চোখ মলেে দখো তার জীবনরে শষে বকিলে। এরপর কবেলই অন্ধকার।
ত্বকীর কোনো শত্রæ ছলি না, কন্তিু ত্বকীদরে অনকে শত্রæ রয়ছে।ে তারা ভয়ঙ্কর নৃশংস, তারা পরম ক্ষমতাবান, তারা শক্তরি মদে মত্ত। এই শত্রæর র্স্বাথবোধে এমন উš§ত্ত যে ববিকেরে সামান্যতম দংশনও তাদরে মধ্যে কাজ করে না। তারা অপহরণ করছেলি ত্বকীক,ে কবেল অপহরণ নয়, নষ্ঠিুর নর্যিাতনরে শকিার করছেে এই বালক-কশিোরক,ে তারপর নর্মিমভাবে হত্যা করে তার লাশ ভাসয়িে দয়িছেলি শীতলক্ষ্যার বুক।ে শীতলক্ষ্যার তীরে যে বালকরে আনন্দসময় শশৈব কটেছেলি নদী পরম মমতায় তাকে বুকে তুলে নয়িছেলি। জলে ভাসয়িে নয়িে তাকে তুলে দয়িছেলি কুমুদনিীর তীর।ে
সইে রক্তাক্ত লাশ কবর দয়িছেে পরবিাররে সদস্য এবং নারায়ণগঞ্জবাসী। অনকে ইতহিাসরে সাক্ষী র্গবরে এই শহররে নাগরকিরো ক্ষোভ, বদেনা, শঙ্কা ও ভালোবাসা নয়িে ত্বকীর শবযাত্রায় শরকি হয়ছে।ে সারা দশেরে মানুষ হƒদয়-প্লাবতি মমতা ও বুক-চাপা ক্রোধ নয়িে অবলোকন করছেে সইে দুঃখভরা দৃশ্য। ঘাতকরা হত্যা পরকিল্পনা বাস্তবায়ন করছেে নখিুঁতভাব,ে তাদরে চোখরে পাতায় সামান্য কম্পন জাগে ন,ি তারা ভালোভাবে জানে যাকে পাঠয়িে দয়ো হয় পরপারে তার আর দুনয়িায় ফরোর কোনো অবকাশ নইে। কন্তিু ত্বকী? ত্বকী যে তার অস্বাভাবকি মৃত্যু অস্বীকার করে পলকহীন চোখে তাকয়িে আছে আমাদরে দকি।ে তার বড় দুই চোখ জীবনকে দখেতে চয়েছেলি পরপর্িূণভাব।ে এখন মৃত্যুর পরও সইে চোখরে পাতা কছিুতইে বুজয়িে দয়ো যাচ্ছে না, নষ্পিলক ত্বকী চয়েে আছে আমাদরে দকি,ে মৃতরে আর জীবতিরে মধ্যে আর্শ্চয সতেুবন্ধ গড়ে তুলছে স,ে ভাষাহীন স্বরে শব্দহীন কণ্ঠে সে বলছে অনকে কথা। ঘাতকদল মরয়িা হয়ে উঠছে ত্বকীর কণ্ঠ রোধ করত,ে কন্তিু মৃত যখন কথা বলে জীবতিরে সঙ্গে মৃতরে ভাষায় সইে কণ্ঠ রোধ করে কার সাধ্য!
ত্বকীর এই নরিন্তর কথা বলার সঙ্গে আরকে মাত্রা যোগ করলো ত্বকীর বই, তার লখোলখেরি খাতা ও কম্পউিটাররে র্হাডডস্কি থকেে উদ্ধার করা বক্ষিপ্তি রচনা মলেে ধরা হলো সবার জন্য। ঘাতকদরে জন্যও। কনেনা তাদরে সঙ্গে ত্বকীর তো কোনো ববিাদ ছলি না। কারো সঙ্গইে ছলি না। তাই তো ত্বকী-হত্যা সমসাময়কিকালরে সবচয়েে নৃশংস হত্যাকাÐ হসিবেে আমাদরে বুকে কাঁটার মতো বঁিধে আছ।ে আর তাই এখন সময় হয়ছেে কণ্ঠে কণ্ঠ মলোবার, হাতে হাত ধরবার, সারাদশেরে লক্ষ-কোটি মানুষরে বুকরে ভতেরে গুমড়-েওঠা বদেনা পরস্পররে সঙ্গে ভাগ করে নয়োর, ত্বকীর পরবিাররে পাশে দাঁড়াবার। এভাবে জন থকেে জন,ে এক থকেে অনকেে সঞ্চারতি হবে মানবতার শক্ত,ি ত্বকীর ঘাতকদরে প্রতি সমবতেভাবে ব্যক্ত হবে ঘৃণা। ত্বকীর প্রতি আমাদরে দায় মোচনরে, ন্যায় ও সত্যরে প্রতষ্ঠিা দাবি করছে ত্বকীর পলকহীন দৃষ্ট,ি ত্বকীর বই সইে দাবরি সঙ্গে যোগ করলো আরকে মাত্রা, জানান দলি ত্বকী হত্যার বচিার হতইে হব,ে ঘাতক তুমি যইে হও শাস্তি তোমাকে পতেইে হব।ে

লখেক : লখেক, ট্রাস্ট,ি মুক্তযিুদ্ধ জাদুঘর